কসবা গণধর্ষণকাণ্ড (Kasba Gang Rape Case) নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। পুলিশ ইতিমধ্যেই মোট ৪ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে ফেলেছেন। যাঁদের মধ্যে একজন নিরাপত্তারক্ষীকে শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনাতে লেগেছে রাজনীতির রং। আসলে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র কলেজের যুবনেতা ছিল। একাধিক তৃণমূল নেতামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ছবিও রয়েছে। এবং কলেজের মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গর্ভনিং বডির সুপারিশে সে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজও করত। ফলে এই ঘটনা তৃণমূলের ওপর দায় চাপাতে ব্যস্ত বিজেপি, কংগ্রেসের মতো রাজনৈতিক দলগুলি।
দলের পাশে দাঁড়ালেন মদন মিত্র
যদিও অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই বলে পাল্টা দাবি করে আসছে তৃণমূল। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শশী পাঁজা, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, কুণাল ঘোষ সহ একাধিক প্রথমসারীর নেতা মন্ত্রীরা এই দাবি করে আসছেন। এবার সেই যুক্তির সমর্থন করলেন মদন মিত্রও। তিনি বলেন, কসবায় যে ঘটনা ঘটেছে, তার ঘোর নিন্দা করছেন। এই জঘন্য অপরাধ যাঁরা ঘটিয়েছে, তাঁদের কড়া শাস্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। তবে অন্যদিকে এটাও একটা বিষয় যে মিটিং, মিছিলে লাখ লাখ লোক যোগ দেয়। অনেকেই নেতামন্ত্রীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে চায়। তারপরে সেই ছবি দেথিয়ে নিজেদের তৃণমূল নেতা বলে দাবি করে। তার মানে এটা নয় যে তাঁর সঙ্গে ওই নেতামন্ত্রীর সম্পর্ক রয়েছে। তৃণমূল ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেবে, এটা স্পষ্ট।
দেখুন মদন মিত্রের মন্তব্য
North 24 Parganas, West Bengal: On the accused in Kolkata gang rape case seen with TMC leaders, TMC MLA Madan Mitra says, "...In a rally where lakhs of people participate, if two people go, click a photo, and then claim to be TMC leaders, one must understand what the actual view… pic.twitter.com/RRN3cB97bX
— IANS (@ians_india) June 28, 2025
কসবায় ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ৪
প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র তৃণমূলের যুবনেতা হিসেবে পরিচিত। এবং কলেজ ইউনিয়নের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। কলেজের প্রাক্তনী হলেও তাঁর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে বলে অভিযোগপত্রে দাবি করেছেন নির্যাতিতা। ইতিমধ্যেই মনোজিৎকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে প্রমিদ মুখোপাধ্যায়, জায়েদ আহমেদকে আগেই গ্রেফতার করা হয়ছিল। শনিবার কলেজের এক নিরাপত্তারক্ষীকেও গ্রেফতার করা হয়।