নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজ কথা শিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সার্ধ শত বর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একাধারে ছিলেন উপন্যাসিক, সাহিত্যিক, গল্পকার , লেখক। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বাংলার এক অতি জনপ্রিয় লেখক।তার রচিত সাহিত্য উপন্যাসের মধ্য দিয়ে শরৎচন্দ্র তৎকালীন সমাজ ও জীবনের কথা তুলে ধরেছিলেন। সামাজিক বৈষম্য, কুসংস্কার ও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে শরৎচন্দ্র তার লেখনীর মধ্য দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তার লেখা পল্লী সমাজ, দেবদাস, শ্রীকান্ত, পথের দাবি, দত্তা,শেষ প্রশ্ন, চরিত্রহীন ,পরিণীতা, বড় দিদি সহ একাধিক গল্প উপন্যাস তৎকালীন সমাজের কঠিন বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছিলেন। তার লেখা একাধিক উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে। প্রথম জীবনে দারিদ্রতার সম্মুখীন হলেও তিনি সাহিত্যকর্মে অবিচল থেকেছেন।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অসাধারণ সাহিত্যকর্মের জন্য তাকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক প্রদান করা হয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কে ডিলিট উপাধি দিয়ে সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়।
কথা শিল্পীর জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন - বাংলা সাহিত্যের চিরস্মরণীয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর জন্মদিবসে তাঁকে জানাই আমার প্রণাম।
বাংলা সাহিত্যের চিরস্মরণীয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর জন্মদিবসে তাঁকে জানাই আমার প্রণাম।
তাঁর লেখা বিভিন্ন উপন্যাস ও অন্যান্য রচনায়, তিনি সহজ ভাষায় বাঙালি জীবনের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ, সামাজিক অবিচার ও সংস্কারের চিত্র যে দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন তার তুলনা সারা…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) September 15, 2025