ধীরে ধীরে স্বাভাবিক চেহারায় ফিরছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল (RG Kar Medical College and Hospital)। বাড়ছে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা। জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, বহির্বিভাগ বন্ধ রাখার ফলে নিত্য রোগীর সংখ্যা যেখানে ১০০-র নীচে নেমে গিয়েছিল, এখন সেই সংখ্যা ১০০০ ছাড়াচ্ছে। চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে না রোগীদের। জানালেন আরজি কর হাসপাতালের নতুন সুপার তথা উপাধ্যক্ষ সপ্তর্ষি চটোপাধ্যায় (Saptarshi Chattopadhyay)।
গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনর রুম থেকে উদ্ধার হয় তরুণী জুনিয়র পড়ুয়া চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুন হওয়া দেহ। শহরের বুকে আরজি করের মত নামী সরকারি হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের এমন নৃশংস পরিণতির ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা রাজ্যবাসীকে। সুবিচারের দাবিতে দফায় দফায় আন্দোলন, মিছিল করেছে চিকিৎসকদের একাংশ, নাগরিক সমাজ, শিল্পী মহল। নির্যাতিতার সুবিচার না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরজি করের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ। বন্ধ রাখা হয় হাসপাতালের বহির্বিভাগও। চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, বহির্বিভাগ বন্ধ থাকার ফলে ভুগতে হয়েছে রোগীদের। হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। মূলত আর্থিক ভাবে দুর্বল সমাজই এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছে। যাদের কাছে চিকিৎসার জন্যে সরকারি হাসপাতালই একমাত্র ভরসা।
তবে সেই পরিস্থিতি এখন আগের চেয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক, দাবি করলেন আরজি করের নয়া সুপার সপ্তর্ষি। আগের চেহারায় ফিরছে আরজি কর।