CAA Protests: 'তবু আমাদের একটা আশা আছে, পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন' মেয়ে প্রহৃত হওয়ার পরদিন জানালেন জয় গোস্বামী
জয় গোস্বামী (Photo Credits: Facebook)

কলকাতা, ২৩ ডিসেম্বর: নাগরিক আইন (CAA) এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জির (NRC) বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ছাত্র প্রতিবাদ অব্যাহত। এই প্রসঙ্গে ছাত্র নিগ্রহও নতুন ঘটনা নয়। গতকাল রবিবার সেই তালিকায় উঠে এসেছে কবি জয় গোস্বামীর (Joy Goswami) মেয়ে দেবত্রী গোস্বামীর (Debotree Goswami) নাম। জানা গিয়েছে, এদিন রাতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার চালানোর সময় ‘জয় শ্রী রাম’ (Joy Sri Ram) স্লোগান দিয়ে, লাঠি হাতে, তাঁদের উপর চড়াও হয় আট জন দুষ্কৃতীর একটি দল। আঘাত লাগে দেবত্রীর কোমরে-হাতে-পায়ে। এনিয়েই সোমবার লেটেস্টলি বাংলাকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন জয় গোস্বামী।

তিনি জানান, "আমার লজ্জা হয় এ কথা ভাবতে যে, আমি একটা হিন্দুরাষ্ট্রে বাস করি। এখন যে এনআরসি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ সংবিধান বিরোধী একটি সিদ্ধান্ত। আমার মেয়ের গায়ে আজ যে হাত পড়েছে তা বড় কথা নয়। সারা দেশের জনগণ এর দ্বারা পীড়িত। তবু আমাদের একটা আশা আছে, পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) আছেন। তিনি যেভাবে পথে নেমে এর প্রতিবাদ করছেন আমার বিশ্বাস এর ফল হবে। আমিও তাঁর ডাকা একটি সভায় উপস্থিত হয়েছিলাম।" এছাড়াও ওই মিছিলে ছিলেন আন্তর্জাতিক পুরস্কারজয়ী চলচ্চিত্র পরিচালক ও সমাজকর্মী দেবলীনা মজুমদার। নিগ্রহ করা হয় চিকিৎসক রঞ্জিতা বিশ্বাস ও শিক্ষক কৌস্তুভ দাশগুপ্তকেও। রবিবার রাত ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে যাদবপুরের বাঘা যতীন এলাকায়। আক্রান্তদের পাশে ছুটে আসেন এলাকার মানুষ। তাঁরা তিন হামলাকারীকে ধরে ফেলেন। তিন জনকেই যাদবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জয়বাবু জানান, দেবত্রী বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ। আরও পড়ুন: Jagdeep Dhankhar: বিনা নিমন্ত্রণে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছতেই গো-ব্যাক স্লোগান! জগদীপ ধনখড়ের উদ্দেশ্যে কালো পতাকা ওড়াল পড়ুয়ারা

পুলিশ জানিয়েছে, প্রত্যেককে মারধর করা হয়। আক্রান্তরাই হামলাকারী তিন যুবককে শনাক্ত করে যাদবপুর থানায় (Jadavpur Police Station) নিয়ে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে। দেবলীনার মাথায় চোট লাগায় তাঁকে কেপিসি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। রবিবার বেশি রাতের ঘটনা হলেও ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে নাগরিক সমাজ।