Shuvendu Adhikari: এবার করোনা আক্রান্ত শুভেন্দু অধিকারী, রয়েছেন বাড়িতেই
শুভেন্দু অধিকারী(Poto Credits: Facebok)

কলকাতা, ২৫ সেপ্টেম্বর: এবার করোনা আক্রান্ত হলেন কাঁথির জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari)। বেশ কয়েকদিন ধরে করোনার মৃদু উপসর্গ শরীরে অনুভব করছিলেন তিনি। তার মধ্যেই পূর্বমেদিনীপুর জেলায় আম্ফান বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ করে যাচ্ছিলেন পুরোদমে। এদিকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বৃহস্পতিবার তাঁর অ্যান্টিজেন টেস্ট হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরে ফের সোয়াব টেস্ট্ হলে বোঝা যায় যে নিশ্চিতভাবেই কোভিডে আক্রন্ত হয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী। তবে শুভেন্দুবাবু একা নন, তাঁর মা গায়ত্রী অধিকারীও করোনা আক্রান্ত। বৃহস্পতিবার রাতেই গায়ত্রীদেবীকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপসর্গ মৃদু থাকায় আপাতত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বাড়িতেই রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

জানা গিয়েছে আজ শুক্রবার হয়তো তাঁর হেলথ চেকআপ হতে পারে। সেই রিপোর্টের উপরে ভিত্তি করেই ঠিক করা হবে, শুভেন্দুবাবু বাড়িতেই চিকিৎসাধীন থাকবেন না কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে তাঁকে। বেশ কিছুদিন আগে এক অস্ত্রোপচারের কারণে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল গায়ত্রী অধিকারীকে। অপারেশনের পরে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে যান শুভেন্দুবাবুর মা। তবে তারপরেই তাঁর শরীরে করোনার মৃদু উপসর্গ ধরা পড়ে। মনে করা হচ্ছে মায়ের থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর শরীরে করোনা বাসা বেঁধেছে। এমনিতে তৃণমূলের বলিষ্ঠ নেতা হিসেবে শুভেন্দুবাবুর সুনাম সর্বজনবিদিত। বাংলায় করোনা সংক্রমণের পর শাসকদলের যে কজন নেতাকে মাঠে নেমে জনসেবা করতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তথা কাঁথির ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পরেও গোটা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ত্রাণ ও উদ্ধারের জন্য সরেজমিনে পরিদর্শনে বেরন তিনি। কোভিডে কারণে সংকটে পড়া পশ্চিমাঞ্চলের শবর পরিবারদের ধারাবাহিক ভাবে সাহায্য করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে কলকাতায় দুই দপ্তরের কাজও যথাযথ ভাবে সামলাচ্ছিলেন। তবে গোড়া থেকেই এই সংক্রমণের ব্যাপারে সতর্ক ছিলেন শুভেন্দুবাবু। সামাজিক দূরত্ব ও সব সতর্কতা মেনেই যা করার করছিলেন। আরও পড়ুন-Durga Puja Guidelines: দুর্গাপুজো নিয়ে একাধিক নির্দেশিকা মমতা ব্যানার্জির, পুজো ক্লাবগুলিকে দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান

শুভেন্দুবাবুর বাবা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ও কাঁথি লোকসভার সাংসদ শিশির অধিকারীরও বয়স হয়েছে। তাঁর বয়স প্রায় ৭৯ বছর। এমনিতেই কোভিডে বয়স্কদের ঝুঁকি বেশি। তাই গায়ত্রীদেবীর শরীরে কোভিড ধরা পড়ার পর শিশিরবাবুকেও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিকে অধিকারী বাড়িতে একান্নবর্তী পরিবার। প্রথমে শুভেন্দুবাবুর ভাইপো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। তারপরে শুভেন্দুবাবুর বড় ভাই মারণ রোগের কবলে পড়েন। মনে করা হচ্ছে, পরিবারের সদস্যদের থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে।