কলকাতা, ৩০ জুন: কসবা আইন কলেজের ছাত্রীর উপর গণধর্ষণ (Kasba Gang Rape Case) কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। আইন কলেজের ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্রর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। যার মধ্যে ৫টি অভিযোগ নিয়ে হয়েছে তোলপাড়। মনোজিতের পাশাপাশি জ়ইব আহমেদ এবং প্রমিত মুখোপাধ্যায় নামে আরও ২ পড়ুয়ার বিরুদ্ধে উঠেছে অভিযোগ। তবে মনোজিৎ মিশ্রকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগের পাশাপাশি আরও যে অভিযোগগুলি রয়েছে, সেগুলি দেখে নিন।
১. ২০১৭ সালে মনোজিৎ মিশ্রের বিরুদ্ধে প্রিন্সিপালের ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ওই সময় পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। ওই সময় মনোজিতের বিরুদ্ধে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের না হলেও, তাকে নেতৃত্ব পদ থেকে সরানো হয়।
২. ২০১৯ সালে কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে এক তরুণীর পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মনোজিৎ মিশ্রের বিরুদ্ধে। ওই সময় পুলিশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এসবের পাশাপাশি কলেদ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময় অশালীন ব্যবহারের অভিযোগও মনোজিৎ মিশ্রের বিরুদ্ধে ওঠে। একাধিক অভিযোগের পরও মনোজিৎ মিশ্রকে কলেজের ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময় দেখা যায়।
৩. ২০১৯ সালে নিউ ইয়ার ইভের পার্টিতে বন্ধুর বাড়িতে চুরি করার অভিযোগ ওঠে মনোজিতের বিরুদ্ধে। সোনার চেন, মিউজ়িক সিস্টেম, পারফিউম, একজোড়া চশমা মনোজিৎ চুরি করে হরিদেবপুরে বন্ধুর বাড়ি থেকে। ওই সময় ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে মনোজিৎ মিশ্রের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় অভিযোগ এবং গঠন করা হয় চার্জশিটও।
৪. ২০২২ সালে মনোজিৎ মিশ্রের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। ওই সময়ও তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় অভিযোগ।
৫. ২০২৪ সালের মে মাসে কসবা আইন কলেজের নিরাপত্তারক্ষী সঞ্জীব কুমার শীলকে হেনস্থা করে মনোজিৎ মিশ্র। পাশাপাশি কলেজের সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এসবের পাশাপাশি গত বছর যখন আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে গোটা রাজ্য উত্তাল, সেই সময় রাত দখলে যাঁরা অংশ নেন, াতঁদের অনেককে মনোজিৎ হুমকিও দেয় বলে খবর।