Durga Puja Flower crisisi (Photo Credit: X@_Agnijwala_)

চলতি নিম্নচাপের বৃষ্টিতে ফুল চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আসন্ন দুর্গাপূজায় পদ্ম ছাড়া সমস্ত ফুলের যোগানের সংকটের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ফুল ব্যবসায়ীরা মনে করছেন। গতকাল থেকে ফের নিম্নচাপের বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলার ফুলের চাষ ভীষণভাবে আবারো একবার ক্ষতির মুখে পড়েছে। পদ্ম ছাড়া সমস্ত রকম ফুল চলতি বছরের বর্ষা মরশুমে বারে বারে ক্ষতির মুখে পড়েছে। দোপাটি-গাঁদা-অপরাজিতা-রজনীগন্ধা সহ বিভিন্ন ধরনের পাপড়িযুক্ত ঝুরো ফুলের মধ্যে বৃষ্টির জল ঢুকে গিয়ে পাপড়ি পচে ফুলের গুণমান নষ্ট হচ্ছে। ওই ফুলে দাগ এসে যাওয়ার কারণে ওই ফুল বিক্রি হচ্ছে না। বাইরের জেলা বা রাজ্যেও তা পাঠানো সম্ভবও হচ্ছে না। এমনকি পূজার সময় ওই চার দিনের ব্যাপক পরিমাণ ফুলের চাহিদা মেটানোর জন্য ওই ধরনের ফুল হিমঘরেও রাখতে পারছে না চাষী-ব্যবসায়ীরা। নিচু এলাকার কিছু ফুলের বাগানে ইতিমধ্যে জল জমে গিয়েছে। এছাড়াও খানিকটা রোদ্দুর বেরোলে নরম প্রকৃতির ফুল গাছগুলি মরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণে পুজোর ওই কয়েকদিনের বিপুল চাহিদা পূরণে ফুলের যোগানের সংকট দেখা দেবে। স্বভাবতই দাম বাড়বে।

সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,দুর্গাপূজার কয়েকটি দিন রাজ্যের সর্বত্র ব্যাপক ফুলের চাহিদা থাকে। অষ্টমী পূজার দিন ১০৮ টি করে পদ্ম আবশ্যিক হওয়ায় ওইদিনের বিশাল পরিমাণ পদ্মের চাহিদা মেটানোর জন্য কয়েকদিন আগে থেকে সাধারণত পদ্ম ব্যবসায়ীরা হিমঘরে পদ্ম মজুত করে। চলতি বছরে বড় ধরনের রাজ্যের ফুলচাষ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে বন্যা না হওয়ায়,দুর্গাপূজো এগিয়ে আসায় এবং মাঠে ব্যাপক পদ্মের চাষ হওয়ায় এ বছর পদ্মের ফলন বেশ ভালো। ফলস্বরূপ পদ্মের যোগানে ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু অন্যান্য পাপড়িযুক্ত বিভিন্ন ঝুরো ফুলের সংকট দেখা দেবে। ফলস্বরূপ দামও বাড়বে বলে তিনি মনে করেন।