যদি কেউ এনআরসি-র ভয়ে আত্মহত্যা করে, তাহলে তার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী। এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে খড়গপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, "দেখুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিথ্যা বলা এবং মানুষকে উস্কে দেওয়ার নীতি, তিনি সবকিছু উল্টো করে বলেন। যদি কেউ এনআরসি-র ভয়ে আত্মহত্যা করে, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী। তিনি অকারণে মানুষকে ভয় দেখিয়েছেন। এটা সিএএ এবং এসআইআর-এর কথা ছিল, এনআরসি-র কথা নয়। জনসাধারণকে উস্কে দেওয়ার জন্য তাঁর মিথ্যা দাবি কেউ বিশ্বাস করবে না।"
এসআইআর-এর দ্বিতীয় দফা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, "মিথ্যা বলার ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তাঁর চেয়ে এগিয়ে। তিনি লম্বা দাবি করছেন, এখন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন অজুহাত শুরু করে নায়ক হওয়ার চেষ্টা করছেন। কংগ্রেস দলের আমলে এটি (এসআইআর) ১০ বার ঘহয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেন তাতে কিছু যায় আসে না।"
#WATCH | Kharagpur, West Bengal: On the second phase of SIR, BJP leader Dilip Ghosh says, "...Mamata Banerjee's nephew is ahead of her in lying. He is making tall claims...Now, Abhishek Banerjee is trying to become a hero by starting a new excuse. This (SIR) has happened 10 times… pic.twitter.com/9xVbzjqXyG
— ANI (@ANI) October 29, 2025
জন সুরজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোরের দু'টি ভোটার কার্ড সম্পর্কে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, “প্রশান্ত কিশোর, যিনি দেশকে আইন ও সংবিধান সম্পর্কে জ্ঞান দেন, তিনি নিজেই অনৈতিক আচরণ করছেন। তিনি তৃণমূলের সঙ্গে ব্যবসা করার জন্য বাংলায় এসেছিলেন এবং এখন একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তিনি বড় বড় কথা বলেন, কিন্তু সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করেন। এটা আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য।”