Chhath Puja 2019: রাজ্যজুড়ে ছটপুজো উদযাপন, কাকভোর থেকে সূর্য আরাধনায় পুণ্যার্থীদের ভিড় ঘাটে ঘাটে
ছটপুজোর প্রতীকী ছবি (Photo Credits: twitter/ANI)

কলকাতা, ৩ নভেম্বর: ছটপুজোর (Chhath Puja) ছটায় জমজমাট শহর কলকাতা (Kolkata)। ভোরের আলো ফোটার আগে ভক্তরা ভিড় জমিয়েছেন বিভিন্ন গঙ্গার ঘাটে (Ganga Ghat), সরোবর (Lake), পুষ্করীনিতে (Ponds)। সূর্যের (Sun) আরাধনায় (Worship) মেতেছেন তাঁরা। গান বাজিয়ে, আলোবাজি ও শব্দবাজি পুড়িয়ে কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ আবার ম্যাটাডোরে চেপে পৌঁছেছেন ঘাটগুলিতে। কলকাতাসহ শহরতলিতে ছটপুজোর উন্মাদনা বেশ জোড়দার। শনিবার সকাল থেকেই ছটের একই ছবি দেখা গেছে প্রায় গোটা পশ্চিমবঙ্গজুড়ে। ছটপুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক নেতামন্ত্রীরাও শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন।

তবে, গতকাল রবীন্দ্র সরবোরে (Rabindra Sarobar) ছটপুজো নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশনামা তোয়াক্কা না করে রবীন্দ্র সরোবরে মহাসমোরহে উদযাপন হয়েছিল ছটপুজো। পুণ্যার্থীরা সেখানে ভিড় জমিয়ে আচার-অনুষ্ঠান করেছিলেন। উল্লেখ্য, সকাল ৭টা নাগাদ সরোবরের ৩ নম্বর গেটের তালা ভেঙে পুণ্যার্থীরা প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ। তাদের দাবি ছিল, এতদিন ধরে রবীন্দ্র সরোবরে তারা পুজো করছেন, এই প্রথা তারা ভাঙবেন না। ছটপুজো উপলক্ষে কেএমডিএ-র (KMDA) নোটিসও ছিঁড়ে ফেলেছিলেন তারা। আরও পড়ুন, ফোনের সঙ্গে সঙ্গে এখন হোয়াটসঅ্যাপেও আড়ি পাতছে; বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি

উল্লেখ্য, রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করলে সরোবরের জল দূষিত হয়ে পরিবেশ বাস্তুতন্ত্রের (Eco System) ক্ষতি (Destroy) হচ্ছে। ফলে এবছর কোনোমতেই সেখানে ছটপুজো করতে দেওয়া হবে না বলে জানায় জাতীয় পরিবেশ আদালত। পরিবেশ আদালত নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ কমিটি আগেই রবীন্দ্র সরোবরে ছট বন্ধের সুপারিশ করে। তা সত্ত্বেও গত দু'বছর অবাধে ছটপুজো হয়েছিল সেখানে। আর তার ফলে হয়েছে দূষণও। এবছর আদালতের নির্দেশ মেনে রবীন্দ্র সরোবরে সম্পূর্ণরূপে ছটপুজো বন্ধের পথে হেঁটেছিল কেএমডিএ। তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল সরোবরের গেটে। বিকল্প হিসেবে শহরের ১০টি পুকুরে ছটপুজোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।