পার্ক সার্কাসের অবস্থান বিক্ষোভকারী (Photo Credits: PTI)

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে শাসক ও বিরোধীরা কোন কোন অস্ত্র নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়বে, সেই বাছাইপর্ব এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। একদিকে ভিনরাজ্যে বাঙালি হেনস্থা নিয়ে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে ব্যস্ত তৃণমূল শিবির। তখন অন্যদিকে রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের রাজ্য থেকে তাড়াতে ব্যস্ত বিজেপি। এদিকে আবার মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে হিন্দু ভোট টানতে নয়া কৌশল নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বনগাঁর বিভিন্ন এলাকায় খোলা হচ্ছে সিএএ (CAA) সহযোগিতা শিবির। বিশেষ করে মতুয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই খোলা হচ্ছে এই শিবিরগুলি।

কোথায় কোথায় খুলবে সিএএ সহযোগিতা শিবির?

নদিয়া, বনগাঁ সহ উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন প্রান্তে এই শিবির খোলার কাজ শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বাগদায় শুরু হয়েছে শিবিরের কাজ। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীর উদ্যোগে খোলা হয়েছে এই শিবির। নেতৃত্ব দিচ্ছেন পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা সৌরভ গয়ালি। এই শিবিরে মূলত উদ্বাস্তু হিন্দুদের পরিচয় নিশ্চিত করতে মতুয়া মহাসঙ্ঘের তরফ থেকে একটি সংশাপত্র দেওয়া হবে। সেই সংশাপত্রের আবেদন ফর্ম পূরণের কাজে সহযোগিতা করবে এই মহাসঙ্ঘ।

প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে

গত রবিবারই ঠাকুরনগরে মতুয়া ছাত্র-যুব সম্মেলনে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তারপর ইতিমধ্যেই সঙ্ঘের যুবক-যুবতি ফর্মপূরণ কীভাবে করবে, ওই শিবিরে তাঁদের কাজ কী, এই সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁদের সাহায্য করবেন বিজেপি কর্মীরাও। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, ২০১৯-এ সিএএ পাশ হওয়ার পর বিধি তৈরির কাজ শেষ হয়েছে ২৪-এ। তারপরেও এতদিনে এই কাজ সক্রিয়ভাবে অনান্য জেলায় কেন শুরু হয়নি? এই প্রশ্নের উত্তর আগামীদিনে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফে মিলবে কিনা, এখন সেটাই দেখার।