শুক্রবারও গোপন জবানবন্দি দিতে আলিপুর আদালতে এলেন না আইআইএম জোকা ধর্ষণকাণ্ডের (IIM Rape Case) নির্যাতিতা। এই নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য অনুপস্থিত রইলেন তিনি। ফলে চতুর্থবারের জন্য পরের সপ্তাহে শুক্রবার দিন ধার্য করা হয়েছে। এমনকী মেডিকো লিগাল টেস্ট, যা ধর্ষণের ঘটনার পরেই হয়ে থাকে, সেটিও করাননি নির্যাতিতা। মূলত এই টেস্টের জন্য নির্যাতিতার অনুমতি প্রয়োজন এবং তদন্তকারী অফিসারের দায়িত্বে তা হবে, কিন্তু এক্ষেত্রে খোদ নির্যাতিতাই এখনও সম্মতি দেননি। এদিকে নির্যাতিতার গরহাজিরার সুযোগে অভিযুক্তের আইনজীবী জামিনের আবেদন করে বসেছেন।

মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন নির্যাতিতা

এদিন সরকার পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য, “তরুণী পুলিশ ও প্রাথমিক মেডিকেল পরীক্ষার সময় নিজের বয়ান দিয়েছিল। নির্যাতিতা সম্ভবত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সেই কারণে তিনি সামনে আসতে চাইছেন না। ইতিমধ্যেই তাঁর মেডিকেল পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে”। আর এই কারণ দেখিয়েই গোপন জবানবন্দির জন্য সময় চেয়ে নিয়েছেন নির্যাতিতার আইনজীবী। অন্যদিকে, অভিযুক্তের আইনজীবী পাল্টা যুক্তি দেন, ছাত্রের মেডিকো লিগাল পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। তিনি কর্ণাটকের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। ফলে এই রাজ্যে তাঁর কোনও প্রভাব নেই। সেই কারণে তাঁর আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন।

সহযোগিতা করছেন না নির্যাতিতা

যদিও এই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ দায়েরের পরেই নিজেকে ঘরবন্দি করে রেখেছেন নির্যাতিতা। অনান্যক্ষেত্রে আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড বা মেডিকো লিগাল টেস্ট নির্যাতিতারা নিজে থেকেই করাতে চান। কিন্তু এক্ষেত্রে অভিযোগকারিনী নিজেই নিজের মামলার সহযোগিতা করছেন না। এদিকে আবার ঘটনার পরের দিনই তাঁর বাবা দাবি করেন যে তাঁর মেয়ের সঙ্গে কোনও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ চাপ দিয়ে এই অভিযোগ লিখিয়েছেন।