২০২৫-এ বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগেই ভোটার তালিকা নিবিড় সমীক্ষা করার কথা ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। যা নিয়ে আলাদা বিতর্ক শুরু হয়। বিহারের সরকার এই নিয়ে সেভাবে প্রতিবাদ না করলেও বিরোধী শিবির এই নিয়ে বিরোধীতা শুরু করে। এমনকী বাংলাতেও এই নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সমীক্ষাকে এনআরসি-র সঙ্গে তুলনা করেন। এমমরকী সমীক্ষায় ১ জুলাই ১৯৮৭ থেকে ২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁদের জন্ম, শুঘুমাত্র তাঁদের কেন নথি জমা দিতে হবে, এই নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। আর তারপরেই পিছু হটেছে নির্বাচন কমিশন।
দিল্লি যাবে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল
নয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ওই সময়সীমার মধ্যে যাঁদের জন্ম, তাঁদের জন্মতারিখ অথবা জন্মস্থানের প্রমাণস্বরূপ কোনও নথি বা তাঁদের বাবা-মায়ের জন্মতারিখ অথবা জন্মস্থানের প্রমাণ রয়েছে এমন একটি নথি জমা দিতে হবে না। এই বিজ্ঞপ্তি নৈতিক জয় হিসেবে মনে করছে তৃণমূল (TMC)। আর সেই কারণে নির্বাচন কমিশনকে চাপে রাখতে আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার নয়া দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর সকাল ১১টা নাগাদ যাবে তৃণমূলের ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন
প্রসঙ্গ, ২৬-এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিহারের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বাংলার রাজনৈতিক দলগুলি। বিশেষ করে কমিশন কী নতুন নিয়ম আনে, তাতে আদপে সে রাজ্যের বিরোধীরা সমস্যায় পড়বে কিনা, সেদিকে বিশেষ নজর তৃণমূলের। কারণ সে রাজ্যে নতুন কোনও নিয়ম লাগু হলে পরবর্তীকালে এই রাজ্যের নির্বাচনেও সেই নিয়ম জারি থাকবে। তাতে সমস্যায় পড়তে পারে তৃণমূল।