Google To Prohibit Stalkerware: ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির ওপরে নজরদারির চালানো অ্যাপ, টেকনোলজির বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করছে গুগল
স্ত্রী বা স্বামীকে সন্দেহ করে অনেকেই মোবাইলে গোপন নজরদারি (Spying) চালান। কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহার করে নজরদারি চালানো যায়। তাঁদের অজান্তেই গতিবিধি নজরে রাখা যায়৷ ফোন কী মেসেজ আসছে বা পাঠানো হচ্ছে তা জানা যায়। এ বার এই সব অ্যাপের বিজ্ঞাপন বন্ধ করছে গুগল (Google)৷ তাদের নয়া পলিসি আপডেটে গুগল জানিয়ে দিল, ১১ অগাস্ট থেকে এমন কোনও প্রডাক্ট বা পরিষেবার বিজ্ঞাপন তারা দেবে না যার সাহায্যে কোনও ব্যবহারকারীকে না জানিয়ে তাঁর ওপর নজরদারি চালানো হয়। কাছের মানুষের স্মার্টফোনে আড়ি পাতা যায় এমন কোনও প্রযুক্তির বিজ্ঞাপন তারা আর দেবে না৷ এই নতুন নিয়ম জিপিএস ট্র্যাকারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে৷
সান ফ্রান্সিসকো, ১১ জুলাই: স্ত্রী বা স্বামীকে সন্দেহ করে অনেকেই মোবাইলে গোপন নজরদারি (Spying) চালান। কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহার করে নজরদারি চালানো যায়। তাঁদের অজান্তেই গতিবিধি নজরে রাখা যায়৷ ফোন কী মেসেজ আসছে বা পাঠানো হচ্ছে তা জানা যায়। এ বার এই সব অ্যাপের বিজ্ঞাপন বন্ধ করছে গুগল (Google)৷ তাদের নয়া পলিসি আপডেটে গুগল জানিয়ে দিল, ১১ অগাস্ট থেকে এমন কোনও প্রডাক্ট বা পরিষেবার বিজ্ঞাপন তারা দেবে না যার সাহায্যে কোনও ব্যবহারকারীকে না জানিয়ে তাঁর ওপর নজরদারি চালানো হয়। কাছের মানুষের স্মার্টফোনে আড়ি পাতা যায় এমন কোনও প্রযুক্তির বিজ্ঞাপন তারা আর দেবে না৷ এই নতুন নিয়ম জিপিএস ট্র্যাকারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে৷
গুগলের এই নতুন অ্যাড পলিসি ১১ অগাস্ট থেকে লাগু হবে৷ ২০১৮ সালে 'ইকোসিস্টেম অফ ইন্টিমেট পার্টনার সার্ভেইল্যান্স স্পাইওয়্যার' নামে একটি সমীক্ষায় জানা যায়, স্ত্রীর ফোন ট্র্যাক করা বা স্বামীর ফোনে নজরদারি চালানোর মতো কয়েক হাজার গুগল অ্যাড আসলে খারাপ উদ্দেশ্যে ফোনে নজরদারি চালানোর জন্য তৈরি হয়৷ এই সংস্থাগুলির উদ্দেশ্য থাকে ব্যবহারকারীর ফোনের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা৷ সংস্থার তরফে এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত ও গোপন রাখা গুগল-এর বরাবরের নীতি৷ নতুন সার্চ ওয়ার্ড পরীক্ষা করে পলিসি ফের পরিবর্তন করা হবে৷ আরও পড়ুন: Amazon US: টিকটককে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন আমেরিকা
এক বিবৃতিতে গুগল জানিয়েছে, "এটি স্পাইওয়্যার / ম্যালওয়ারের মধ্যেই অর্ন্তভুক্ত তবে সীমাবদ্ধ নয়, যা মেসেজ, ফোন কল বা ব্রাউজিং হিস্টরি পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে; জিপিএস ট্র্যাকার দিয়েও সম্মতি ছাড়াই নজরদারি চালানো যায়। এই নজরদারি সরঞ্জামের প্রচার (ক্যামেরা, অডিও রেকর্ডার, ড্যাশ ক্যাম, ন্যানি ক্যাম) গুপ্তচরবৃত্তি করার স্পষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েই করা হয়।"
(The above story first appeared on LatestLY on Jul 11, 2020 12:22 PM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

