Argentina: সৌদির বিরুদ্ধে হার নয়, মেসিদের বিশ্বকাপ জেতার অভিযান শুরু হয়েছিল যে ম্যাচ থেকে
Argentina. (Photo Credits:Twitter/@totoscrib)

দোহা, ১৮ ডিসেম্বর: বিশ্বকাপ মানে কিন্তু শুধু এই এক-দেড় মাসের মুলপর্বের খেলা নয়। মুলপর্বের যোগ্যতা পাওয়ার জন্য যে যারা মহাদেশে যোগ্যতানির্ণয়ক পর্বে খেলতে হয়। বিশ্বের ২০৭টি দেশের বাছাই পর্বের মধ্য়ে থেকে ৩২টি দেশ খেলল কাতার বিশ্বকাপের মুলপর্বে। তাই কাতারে মেসিদের বিশ্বকাপ জয়ের অভিযানটা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নয়, শুরু হয়েছিল তারও অনেক আগে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জনের ম্য়াচ লাতিন আমেরিকার শুরু হয়েছিল ৮ অক্টোবর, ২০২০ থেকে। প্রথম ম্যাচে ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিন। সেই ম্যাচের ১৩ মিনিটে মেসির গোলেই জিতেছিল আর্জেন্টিনা। ব্যস, বৃত্তের সেই শুরু। লাতিন আমেরিকায় যোগ্যতাঅর্জন পর্বে ১৭টি ম্যাচ খেলে ১১টি জয়, ৬টি ড্র করে কাতার বিশ্বকাপের মূলপর্বে যোগ্যতা অর্জন করেছিল আর্জেন্টিনা।

৩৬টা ম্যাচ অপরাজিত থেকে কাতার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল। সৌদি আরবের কাছে ১-২ গোলে হার দিয়ে কাতার বিশ্বকাপে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর গ্রুপের বকি দুটি ম্যাচে মেক্সিকো ও পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জিতে প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলেন লিওনেল মেসিরা। প্রি কোয়ার্টারে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। কোয়ার্টার ফাইনাল নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ডাচদের শেষ মুহর্তের নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ৯০ মিনিট শেষে খেলার স্কোর দাঁড়িয়েছিল ২-২। এরপর ৩০ মিনিট এক্সট্রা টাইম শেষেও খেলার ফল ২-২ থাকায় টাইব্রকারে গড়ায় ম্যাচ। শেষ অবধি আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমি মার্টিনেজের অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সে টাইব্রেকারে জিতে শেষ চারে উঠেছিল দক্ষিণ আমেরিকার সুপার পাওয়ার দেশ। সেমিফাইনালে মেসিদের সামনে পড়েছিল লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া।

যে ক্রোটরা ব্রাজিলকে কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়ে দিয়েছিল। সেমিতে ক্রোটদের অনায়াসে ৩-০ গোলে হারান মেসিরা। এরপর নাটকীয় ফাইনালে ১২০ মিনিটের খেলা শেষে ৩-৩ থাকায়, টাইব্রেকারে ফয়সালা হয় ম্যাচের। টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে জেতান গোলকিপার মার্টিনেজ। মেসি দুটি গোল করেছিলেন, দি মারিয়া করেন একটি গোল। বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে হ্যাটট্রিক করেও হারতে হল এমাপেকে।

আর্জেন্টিনা ম্যাচের ৮০ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। এরপর ফরাসি তারকা এমবাপে ৯৭ সেকেন্ডের মধ্যে দুটি গোল করে নাটকীয়ভাবে দলকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন। এক্সট্রা টাইমের ১০৭ মিনিটে গোল করে দলকে ফের এগিয়ে দিয়েছিলেন মেসি। ১১৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ ও ম্যাচের ফল ৩-৩ করেন এমবাপে। নক আউটে প্রতিটি ম্যাচে গোল করে বড় নজির গড়েন মেসি।