BCCI Revenue 2025: বিসিসিআই (BCCI) স্পনসরশিপ নিয়ে সমস্যার মধ্যে দিয়ে গেলেও যেতে গত পাঁচ বছরে ১৪,৬২৭ কোটি টাকা আয় করে ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পোর্টস বোর্ডের মধ্যে একটি। দেশের ক্রিকেটিং ইকোসিস্টেমকে ভালো করার বিশাল কাজটি তারা নিজেরাই করেছে। বিগত কয়েক বছরে বিসিসিআই তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর বেশ জোর দিতে শুরু করেছে, এর ফলে কিশোর থেকে তরুণ সব ক্রিকেটাররাই বিদেশে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে। ক্রিকবাজের রিপোর্ট বলছে যে ২০২৩-২৪ সালেই বোর্ড ৪,১৯৩ কোটি টাকা উপার্জন করেছে, এর ফলে নগদ এবং ব্যাংক ব্যালেন্স হয়েছে ২০,৬৮৬ হাজার কোটি টাকা। সব রাজ্য অ্যাসোসিয়েশনকে সমস্ত পাওনা পরিশোধ করার পর সাধারণ তহবিলে ২০১৯ সালে ৩,৯০৬ কোটি টাকা থেকে ২০২৪ সালে ৭,৯৮৮ কোটি টাকা হয়েছে যা প্রায় দ্বিগুণ। IPL Tickets GST Rate: স্টেডিয়ামে ক্রিকেট দেখা এখন লাক্সারি, আইপিএল টিকিটের ওপর থাকছে ৪০% জিএসটি
পাঁচ বছরে বিসিসিআইয়ের আয় ৬ হাজার কোটি থেকে বেড়ে ২০ হাজার কোটি
🚨 𝑹𝑬𝑷𝑶𝑹𝑻𝑺 🚨
The BCCI reportedly holds a bank balance of INR 20,686 crore as of 12 months ago! 💰😱
Since 2019, the board’s revenue has increased significantly, with INR 14,627 crore added in the last five years alone! 🇮🇳🏏#BCCI #India #Cricket #Sportskeeda pic.twitter.com/mRDelAQcsB
— Sportskeeda (@Sportskeeda) September 6, 2025
রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে বিসিসিআই গত পাঁচ বছরে ১৪,৬২৭ কোটি যোগ করেছে। গত অর্থনৈতিক বর্ষে ৪,১৯৩ কোটি টাকা বৃদ্ধি করেছে। তাছাড়া ২০১৯ সাল থেকে সাধারণ তহবিলে ৩,৯০৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৭,৯৮৮ কোটি টাকা হয়েছে, মানে অর্থের পরিমাণ বেড়েছে ৪,০৮২ কোটি টাকা। সেখানে আরও জানানো হয়েছে যে বিসিসিআই ট্যাক্সের জন্যও বিশাল অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে ৩,১৫০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এছাড়া মিডিয়া রাইটসে আয় ৮১৩.১৪ কোটি থেকে ২,৫২৪.৮০ কোটি টাকা হয়েছে। ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে, বিনিয়োগ আয় ৯৮৬.৪৫ কোটি টাকা থেকে ৫৩৩.০৫ কোটি টাকা হয়েছে। তবে আইপিএল থেকে বিসিসিআই ২০২৩-২৪ সালে জন্য ১,৬২৩.০৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয়ের ঘোষণা করেছে। আগের বছর যেটা বেড়ে হয়েছে ১,১৬৭.৯৯ কোটি টাকা।