(Photo Credit: Twitter)

বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (BCCI) সম্প্রতি ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম পরিবর্তন করেছে, যা আগামী ২০২৫-২৬ মরশুম থেকে কার্যকর হবে। এই নিয়মগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দুটি হলো: ইচ্ছাকৃতভাবে শর্ট রান নেওয়া এবং ফিল্ডিং দলের ক্যাপ্টেনের হাতে স্ট্রাইক নির্ধারণের ক্ষমতা।

ইচ্ছাকৃত শর্ট রান,আরও কঠোর শাস্তিঃ-

ক্রিকেটে ব্যাটাররা অনেক সময় কৌশলগত কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে শর্ট রান নিয়ে থাকেন, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো স্ট্রাইক নিজের কাছে রাখা, যাতে পরের বলে তিনি স্ট্রাইকে থাকতে পারেন। এতদিন এই ধরনের ঘটনার জন্য ফিল্ডিং দলকে কেবল ৫ পেনাল্টি রান দেওয়া হতো এবং রানটি বাতিল করা হতো।

নতুন নিয়মে এর শাস্তি আরও কঠোর করা হয়েছে। এখন থেকে যদি আম্পায়ার মনে করেন যে ব্যাটাররা ইচ্ছাকৃতভাবে শর্ট রান নিয়েছেন, তাহলে-

  • যেকোনো রান বাতিল করা হবে।
  • ফিল্ডিং দলকে ৫ পেনাল্টি রান দেওয়া হবে।
  • সর্বোপরি, ফিল্ডিং দলের ক্যাপ্টেনই ঠিক করবেন যে পরের বলটি কোন ব্যাটার খেলবেন।

এই নিয়মটি ব্যাটারদের স্ট্রাইক ধরে রাখার কৌশলকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাবে এবং ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এটি খেলার মধ্যে একটি নতুন কৌশলগত মাত্রা যোগ করবে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম পরিবর্তন

শর্ট রান ছাড়াও, বিসিসিআই আরও কিছু নিয়ম পরিবর্তন করেছে:

সিরিয়াস ইনজুরি রিপ্লেসমেন্ট (Serious Injury Replacement): যদি কোনো খেলোয়াড় মাঠে গুরুতর আহত হন (যেমন হাড় ভাঙা, গভীর ক্ষত ইত্যাদি), তবে তার পরিবর্তে একজন 'লাইক-ফর-লাইক' খেলোয়াড়কে মাঠে নামানো যাবে। এই নিয়মটি আপাতত শুধু ঘরোয়া মাল্টি-ডে (বহুদিনের) ম্যাচের জন্য প্রযোজ্য।

'রিটায়ার্ড-আউট' স্ট্যাটাস: যদি কোনো ব্যাটার ইনজুরি বা অসুস্থতা ছাড়া অন্য কোনো কারণে মাঠ ছাড়েন, তবে তাকে 'রিটায়ার্ড-আউট' ঘোষণা করা হবে এবং তিনি আর ব্যাট করতে পারবেন না। এই পরিবর্তনগুলোর লক্ষ্য হলো খেলার সততা বজায় রাখা, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত বুদ্ধিমত্তাকে আরও গুরুত্ব দেওয়া।