Bangladesh Beat Pakistan (Photo Credit: X@Rehmat8863)

শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। কিন্তু সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ৯ বছর পর জয় পেল বাংলাদেশ। এর আগে বাংলাদেশের সবশেষ জয় ছিল ২০১৬ সালের এশিয়া কাপে। এছাড়া ২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসে দুই দেশের দ্বিতীয় সারির দলের লড়াইয়ে জিতেছিল তারা। ম্যাচে দারুণ বোলিং করলেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি এই পেসার।আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে ৪ ওভারের বোলিং কোটা পূরণ করে সবচেয়ে কম রান দেওয়ার বাংলাদেশি বোলারের রেকর্ড এটি। তবে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন ৩৯ বলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলা পারভেজ।পাকিস্তানের ১১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট হাতে ৩৯ বলে ৩ চার ও ৫ ছয়ে ৫৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন পারভেজ হোসেন ইমন। এছাড়া ৩৭ বলে ২ চার ও ২ ছয়ে ৩৬ রানের সময় উপযোগী ইনিংস উপহার দেন তাওহিদ হৃদয়।

টানা নয় ম্যাচ পর অবশেষে রবিবার টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই এদিন বল হাতে পাকিস্তানকে চেপে ধরে টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের নৈপুণ্যে পাকিস্তানকে ১৯.৩ ওভারে ১১০ রানেই গুটিয়ে দেয় টিম টাইগার্স। জবাব দিতে নেমে শুরুতেই তানজিদ ও লিটনকে হারলেও পথ হারায়নি বাংলাদেশ। ইমন ও তাওহিদের ব্যাটে ভর করে লক্ষ্যের দিকে ছোঁটে টিম বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত হৃদয় ফিরলেও ইমন দলকে জিতিয়ে ফেরেন ৭ উইকেট আর ২৭ বল হাতে রেখে। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে ১০ রানের কমে প্রথম ২ উইকেট খোয়ানোর পর তৃতীয় উইকেটে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জুটি। আগের রেকর্ড ৬৯।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান:

১৯.৩ ওভারে ১১০ (ফখর ৪৪, সিয়াম ৬, হারিস ৪, সালমান আগা ৩, হাসান নাওয়াজ ০, মহম্মদ নাওয়াজ ৩, খুশদিল ১৭, আফ্রিদি ২২, আশরাফ ৫, সালমা মির্জা ০, আবরার ০*; মেহেদি ৪-০-৩৭-১, তাসকিন ৩.৩-০-২২-৩, তানজিম ৪-০-২০-১, মোস্তাফিজ ৪-০-৬-২, শামীম ১-০-২-০, রিশাদ ৩-০-১৯-০)

বাংলাদেশ:

১৫.৩ ওভারে ১১২/৩ (তানজিদ ১, পারভেজ ৫৬*, লিটন ১, হৃদয় ৩৬, জাকের ১৫*; সালমান ৩.৩-০-২৩-২, সিয়াম ২-০-১৬-২, ফাহিম ৩-০-২৯-০, আবরার ৪-০-২০-১, আব্বাস ২-০-১৬-১, নাওয়াজ ১-০-৮-০)