Bangladesh beats Afghanistan. (Photo Credits:X)

Bangladesh Beats Afghanistan: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৮ রানের দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিয়ে এশিয়া কাপের (Asia Cup 2025) সুপার ফোরে ওঠার আশা জিইয়ে রাখল বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ করেছিল ৫ উইকেটে ১৫৪ রান, জবাবে আফগান ইনিংস শেষ হয় ১৪৬ রানে। ফেভারিট হিসাবে নামা রশিদ খানের দলকে এদিন কার্যত উড়িয়ে দিলেন লিটন দাসরা। ৩টি খেলে ২টি-তে জয় (হংকং ও আফগানিস্তান) ও একটিতে হেরে (শ্রীলঙ্কা) গ্রুপ লিগের খেলা শেষ করল বাংলাদেশ। সুপার ফোরে ওঠার প্রশ্নে এখন বাংলাদেশকে তাকিয়ে থাকতে হবে বৃহস্পতিবার আবুধাবিতে গ্রুপ বি-র শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান ম্য়াচের দিকে।

শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান ম্যাচের ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশের ভাগ্য

লঙ্কানরা শেষ ম্যাচে আফগানদের হারালেই গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় হয়ে সুপার ফোরে উঠবেন লিটনরা। কিন্তু রশিদ খানরা জিতলে শ্রীলঙ্কা, আফগান ও বাংলাদেশ-তিনটি দলেরই পয়েন্ট সমান হয়ে যাবে, সেক্ষেত্রে নেট রানরেটে ঠিক হবে, কোন দুটি দল সুপার ফোরে উঠবে। ৩টি ম্য়াচ খেলে ৪ পয়েন্ট পেয়ে লিটনদের গ্রুপের খেলা শেষ হল। বাংলাদেশ এখনও দুই নম্বরে আছে। কিন্তু অসুবিধা হল আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার থেকে বাংলাদেশের নেট রানরেট খারাপ। ফলে বৃহস্পতিবার খুব বড় ব্যবধানে শ্রীলঙ্কা না হারলে আর রশিদ খানরা জিতে গেলে বিদায় নিতে হবে লিটনদের। সেসব অবশ্য পরের কথা। শ্রীলঙ্কানদের কাছে খারাপভাবে হারের পর এদিন যেভাবে দুরন্ত ক্রিকেট খেলে সব বিভাগে রশিদদের হারাল বাংলাদেশ তা এক কথা অনবদ্য়।

ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোরবোর্ড

দারুণ বল করলেন মুস্তাফিজুর রহমানরা

সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয়টা এদিন এল আবুধাবিতে। বাংলাদেশের এই দুরন্ত জয়ের নায়ক তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমান (৩/২৮), নাসুম আহমেদ (২/১১), রিসাদ হোসেন (২/১৮) ও ওপেনার তানজিদ হাসান (৩১ বলে ৫২)। জয়ের জন্য ১৫৫ রানের লক্ষ্যে নেমে আফগান ব্যাটিং মুখথুবড়ে পড়ল। আফগানদের শক্তিশালী ব্যাটিংয়ের সামনে দারুণ বোলিং করলেন মুস্তাফিজুর রহমানরা।

চাপের মুখে ভেঙে পড়ল রশিদ খানদের ব্যাটিং

রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারিয়ে, কোনও বলার মত পার্টনারশিপ গড়তে না পেরেই ডুবল কাবুলিওয়ালার দেশ। চাপের কাছে নতিস্বীকার করলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মেগা তারকা রশিদ খানরা। আফগান ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ (৩৫) আর আঝমাতুল্লা ওমরঝাই (১৬ বলে ৩০) ছাড়া আর কোনও আফগান ব্যাটার রান পেলেন না। শেষের দিকে অধিনায়ক রশিদ খানের ১১ বলে ২০ রানের ইনিংস কাজে এল না।