সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের বাসিন্দা মনু আজমি বর্তমানে আইনি জটিলতার মুখে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, থাইল্যান্ড ভ্রমণের সময় একটি হোটেলে কর্মরত এক মহিলা হাউস-কিপিং স্টাফকে তিনি হেনস্তা করেছেন। মনু নিজেই সেই ঘটনার ভিডিওটি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপলোড করেছিলেন, যা ভাইরাল হওয়ার পরপরই নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও ভাইরাল ভিডিও
ভাইরাল হওয়া ক্লিপটিতে দেখা যাচ্ছে, মনু আজমি ওই মহিলা কর্মীর সাথে অশালীন আচরণ করছেন এবং তাকে নানাভাবে বিরক্ত করছেন। ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং সাধারণ মানুষ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের নজরে বিষয়টি আসতেই তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
অভিযুক্তের পরিচয় ও সোশ্যাল মিডিয়া বিতর্ক
মনু আজমি আজমগড় জেলার সরাই মীর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে প্রভাবশালী হিসেবে তুলে ধরতেই তিনি এই ধরনের আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তিনি তার অ্যাকাউন্ট থেকে সেটি সরিয়ে ফেললেও ততক্ষণে ভিডিওর স্ক্রিন রেকর্ডিং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে।
Ever wondered why the Indian passport often faces disrespect abroad?
It’s because of people like this.
Meet Monu Azmi from Azamgarh, currently in Thailand on a work permit, openly harassing a hotel housekeeping staff, filming it, and uploading it on Instagram like it’s some… pic.twitter.com/jV6wLBeCPN
— Divya Gandotra Tandon (@divya_gandotra) April 13, 2026
আইনি পদক্ষেপ ও তদন্ত
আজমগড় পুলিশ জানিয়েছে যে, বিদেশের মাটিতে ভারতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা এবং একজন মহিলার সাথে অভব্য আচরণ করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির প্রাসঙ্গিক ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে যে এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না।
সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া
বিদেশে ভারতীয় পর্যটকদের এই ধরনের আচরণ দেশের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইন্টারনেটে অনেকেই লিখেছেন যে, ডিজিটাল দুনিয়ায় সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে গিয়ে মানুষ নিজের মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।