কাঁচা কলার উপকারিতা অনেক। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে সুন্দরভাবে চালানোর জন্য  কাঁচা কলার ভূমিকা বিরাট।  একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। কাঁচা কলা দিয়ে নানা রকম পদ রান্না হয়। কাএক কথায় সুস্থতা এবং শারীরিক প্রশান্তির এক অপূর্ব উৎস।

কাঁচা কলা উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ। এই ফাইবার আমাদের হজম প্রক্রিয়া সহজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ফাইবারযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করলে পাকস্থলী পরিষ্কার থাকে, যা সব ধরনের গ্যাস, ফাঁপা ভাব এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া, এই ফাইবার রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

কাঁচা কলায় আছে কম চিনি এবং উচ্চ কার্বোহাইড্রেট সম্পন্ন।  ধীরে ধীরে  রক্তশর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এজন্য ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য কাঁচা কলা একটি আদর্শ খাবার। এছাড়া এতে থাকা প্রাকৃতিক স্টার্চ পেটের ব্যাকটেরিয়ার পরিপাককে উন্নত করে।

এতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।  পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে এবং হার্টের সুরক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। একই সাথে, কাঁচা কলার ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ উপাদান ডায়াহেড্রেশন রোধ ও কোষ সম্পাদনে সাহায্য করে।

ত্বক ও চুলের যত্নে কাঁচা কলার ব্যবহার আছে। কাঁচা কলার পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগালে তা প্রাকৃতিক স্কিন কেয়ার হিসেবে কাজ করে।  ব্রণ কমাতে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বেশ কার্যকরী।

কাঁচা কলা ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। কম ক্যালোরিযুক্ত এই ফল অভ্যন্তরীণ শক্তি বজায় রেখে আমাদের দেহকে ফিট রাখতে সাহায্য করে।