Durga Puja 2019: এবার বিজয়ার পাতে হিট ফিউশন মিষ্টি, বাংলার ঐতিহ্য বাঁচিয়েই বিদায় বেলায় পাল্লা দিচ্ছে নতুন স্বাদের সব মিষ্টি
ফাইল ছবি

আজ বিজয়া দশমী (Bijoya Dashami)। তাই সকাল থেকে ভিড় মিষ্টির দোকানগুলিতে (Sweet Shop)। বাংলার ট্র্যাডিশনাল মিষ্টির (Bengal Treditional Sweet) পাশাপাশি এবার বাজার মাতাচ্ছে ফিউশন মিষ্টির সম্ভার (Fusion Sweet)। তবে এবছর প্রথম নয়। বেশ কিছু বছর ধরেই উৎসবের বাজারে জায়গা করে নিয়েছে নয়া স্বাদের এই মিষ্টি।

ষষ্ঠীর বোধন, অষ্টমীর অঞ্জলির মত বিজয়ার মিষ্টি মুখও এক চিরাচরিত রীতি। দশমীর সকাল থেকেই তাই ভিড় বাড়ে মিষ্টির দোকানে দোকানে। সরপুরিয়া, কাঁচাগোল্লা, জলভরার মত ট্র্যাডিশনাল মিষ্টির পাশাপাশি এখন বাজার মাতাচ্ছে বাটার স্কচ, পাইন অ্যাপেল, চকোলেট সন্দেশের মত ফিউশন মিষ্টি।

এবারের বিজয়ার মিষ্টির তালিকায় রয়েছে- ক্ষীর দিয়ে তৈরি খাঁটি ঘিয়ে ভাজা মালপোয়া, ঘন দুধের তৈরি ছোট্ট কলসীর মধ্যে অমৃতকুম্ভ, দই অমৃতপয়ধী, বাদামিকা, মালাই বরফি, তুলসী দই, পেস্তা দিয়ে তৈরি মিষ্টি সৌরভ, বেকড রসগোল্লা, ম্যাঙ্গো সুফলে, ক্ষীরকদম্ব।

রসমালাই নতুন নয় বাঙালির রসনায়, তবে তাতে নয়া প্রাপ্তি তার স্ট্রবেরি ফ্লেভার। জলভরা তালশাঁস বাঙালির পুরোনো পছন্দ। সেখানেও নয়া প্রাপ্তি ডাবের শাঁস দিয়ে তৈরি ডাবের জলে মাখা সন্দেশ। যেমন প্রাপ্তি, সন্দেশের মধ্যে নাড়ুর নারকেল অথবা লাড্ডুর মিহিদানার পুর। পাশাপাশি সুগার ফ্রি এবং ভেষজ মিষ্টির চাহিদাও রয়েছে। সুগার ফ্রি দিয়ে তৈরি রসগোল্লা, পান্তুয়ার মতো সাবেকি মিষ্টি তো আছেই। ‌ আরও পড়ুন- Durga Puja 2019: এই দশমীতে পাতে থাক হাতেগড়া সব মিষ্টি, বিজয়া হয়ে উঠুক প্রীতিময়

বিদায় বেলায় ভুলে যাবেন ডায়েটিং। ছকে বাঁধা খাওয়ার নিয়ম ভাঙবে এক নিমেষেই। বড়দের হাত ধরে ছোটরাও ভিড় জমাচ্ছে মিষ্টির দোকানে। এ বছর বিজয়ার দিন মহানগরের (Kolkata) মিষ্টির দোকান ঘুরে দেখা যাচ্ছে, পুরোনোকে নতুন মোড়ক দেওয়ার অভিপ্রায়ে ময়রারা চেষ্টার কসুর রাখছেন না। কলকাতার প্রথিতযশা মিষ্টান্ন বিক্রেতাদের পরিভাষায় যা ফিউশন। কখনও একাধিক সাবেক মিষ্টির মিলন। তো কখনও আবার সনাতন মিষ্টির সঙ্গে নবরূপে আধুনিকতার ছোঁয়া। রসগোল্লা, সন্দেশ, চমচম, কাঁচাগোল্লা, রসমালাই, নারকেল নাড়ু, মিহিদানা এই সব নিয়েই বাঙালির মিষ্টিবিলাস। কিন্তু সেই তালিকায় জুড়েছে নতুন মিষ্টির সম্ভার। মহানগরের ঐতিহ্যশালী মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের কথায়, পুরোনো আর সাবেক পদের আবেদন এখনও এতটাই গগনচুম্বী যে ভোল পাল্টে নতুন কিছু শো-কেসে রাখলে তা বাঙালি কতটা গ্রহণ করবে, তা নিয়ে মন খুঁতখুঁত করেই। শহরের অনেক নামজাদা মিষ্টি বিক্রেতাই সেজন্য পুরোনোকে বাঁচিয়েই তার নবরূপে উপস্থাপনায় মন দিয়েছেন।