Vidyasagar Birth Anniversary (Photo Credit: X@MamataOfficial)

নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজ (২৬ সেপ্টেম্বর) পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬ তম জন্মদিন উদযাপিত হচ্ছে। সমাজ সংস্কারক ,শিক্ষাবিদ, গদ্যকার পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচনা করেছিলেন যুগান্তকারী শিশু পাঠ্য বর্ণপরিচয়। বর্ণপরিচয় এর পাশাপাশি রচনা করেছিলেন একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ সহ বহু রচনা ও গ্রন্থ। পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে সহজ পাঠ্য করে তোলেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও উদ্যোগে তৎকালীন সমাজে প্রবর্তন করেছিলেন বিধবা বিবাহ। নারী শিক্ষা, নারী মুক্তির ভাবনা ও নারী মুক্তির আন্দোলনে তার অবদান চিরস্মরণীয়। অসাধারণ পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতি স্বরূপ সংস্কৃত কলেজের পক্ষ থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে ১৮৩৯ সালে বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদান করা হয়।

পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬ তম জন্মদিন উপলক্ষে ভারতীয় নবজাগরণের স্তম্ভ, সমাজ ও শিক্ষা সংস্কারের অগ্রদূত, বর্ণপরিচয় এর মহান স্রষ্টা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

 

পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৫ তম জন্মবার্ষিকীটি আজ রাজ্যজুড়ে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করা হচ্ছে। তার স্মরণে কলকাতার কলেজ স্কোয়ারে বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এরপরে বিদ্যাসাগর একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। সেখানে গবেষক অচিন চক্রবর্তী বিদ্যাসাগর স্মারক বক্তৃতা দেন। পরে রাজ্য সরকারের তরফে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে বিদ্যাসাগর দিনময়ী পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সচিবালয় নবান্নেও বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মবার্ষিকীতে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। রাজ্য সরকারের গঠিত বীর সিংহ উন্নয়ন পর্ষদ বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে একটি প্রবেশদ্বার তৈরি করা ছাড়াও বিদ্যাসাগর স্মৃতি মন্দির এবং বিদ্যাসাগর শিশু উদ্যান তৈরি করেছে বলে তিনি সামাজিক গণমাধ্যমে জানিয়েছেন। এছাড়াও ঘাটাল চন্দ্রকোনা রাস্তার সিংহডাঙ্গা মোড়ে তার স্মৃতিতে একটি তোরণ তৈরি করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন।

সুমন