Vaishali Rameshbabu (Photo Credit: Chess India/ X)

PM Modi on International Women's Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Prime Minister Narendra Modi) সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের দায়িত্ব নিলেন ভারতের গ্র্যান্ডমাস্টার বৈশালী রমেশবাবু (Vaishali Rameshbabu)। তরুণীদের পাশাপাশি বাবা-মা ও ভাইবোনদের জন্যও বিশেষ বার্তা দিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এই তরুণী। প্রথম পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'ভানাক্কাম! আমি বৈশালী রমেশবাবু এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী থিরুর দায়িত্ব নিতে পেরে আমি শিহরিত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি-র সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষ এবং তাও নারী দিবসে নেওয়াটা গর্বের। আপনারা অনেকেই জানেন, আমি দাবা খেলি, অনেক টুর্নামেন্টে আমাদের প্রিয় দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত।' এর পরের পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'আমার জন্ম ২১ জুন, কাকতালীয়ভাবে যা এখন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসাবে জনপ্রিয়। আমি ৬ বছর বয়স থেকে দাবা খেলি! দাবা খেলা আমার জন্য শেখার, রোমাঞ্চকর যাত্রা, যা আমাকে অনেক টুর্নামেন্ট এবং অলিম্পিয়াড সাফল্য এনে দিয়েছে। আরও কিছু বলার আছে...' International Women's Day 2025: কেন ৮ মার্চ পালিত হয় নারী দিবস? জানুন এই দিনের সুদীর্ঘ ইতিহাস এবং তাৎপর্য

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রধানমন্ত্রী মোদীর এক্স হ্যান্ডেলের দায়িত্ব নিলেন ভারতীয় দাবা গ্র্যান্ডমাস্টার বৈশালী রমেশবাবু

এরপরের দুটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'আমি সব নারীদের, বিশেষ করে তরুণীদের একটি মেসেজ দিতে চাই- যত বাধাই আসুক না কেন, নিজের স্বপ্নকে ফলো করো। তোমার আবেগ তোমার সাফল্যকে শক্তি জোগাবে। আমি নারীদের তাদের স্বপ্ন অনুসরণ করতে এবং তাদের পছন্দসই যে কোনও ক্ষেত্রে বাধা কাটাতে উৎসাহিত করতে চাই, আমি জানি তারা তা করতে পারবে!' তিনি নিজের দাবার কেরিয়ার নিয়ে বলেন, 'আমি আমার ফিডে র‍্যাঙ্কিংয়ে আরও উন্নতি করতে চাই এবং আমার দেশকে গর্বিত করতে চাই। দাবা আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে এবং আমি যে খেলাটি পছন্দ করি তাতে আরও অবদান রাখার অপেক্ষায় রয়েছি। একইভাবে আমি অল্পবয়সী মেয়েদের বলতে চাই যে তারা যে কোনও খেলাধুলা করে। খেলাধুলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম।'

মেয়েদের উৎসাহ দেওয়া এবং দাবা কেরিয়ার নিয়ে বৈশালী রমেশবাবু

এরপর শেষ পোস্টে তিনি লেখেন, 'বাবা-মা ও ভাইবোনদের জন্যও আমার একটি মেসেজ আছে- মেয়েদের সমর্থন করুন। তাদের সামর্থ্যের উপর আস্থা রাখুন এবং তারা বিস্ময়কর কিছু করবে। আমার জীবনে আমি সাপোর্টিভ বাবা-মা, থিরু রমেশবাবু এবং থিরুমতি নাগালক্ষ্মীকে পেয়েছি। আমার ভাই রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ এবং আমিও একটি সুন্দর বন্ড শেয়ার করি। আমি সৌভাগ্যবান যে দারুণ সব কোচ, সতীর্থ পেয়েছি এবং অবশ্যই আমি বিশ্বনাথন আনন্দ স্যারের থেকে অনুপ্রাণিত। আমি মনে করি যে আজকের ভারত মহিলা অ্যাথলিটদের অনেক বেশি সহায়তা করছে, যা খুবই ভালো খবর। মহিলাদের খেলাধুলায় অনুপ্রাণিত করা থেকে শুরু করে ট্রেনিং দেওয়া থেকে শুরু করে তাদের পর্যাপ্ত খেলাধুলার অভিজ্ঞতা দেওয়া, ভারত যে অগ্রগতি করছে তা ব্যতিক্রমী।

মেয়েদের উৎসাহ দিতে পরিবারকে আর্জি বৈশালী রমেশবাবুর