Suresh Angadi: 'দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো, কারণ বিমানবন্দর, ট্রেনে যাত্রী ভর্তি, লোকজন বিয়েও করছে', দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ আঙ্গাদি (Photo: IANS)

নতুন দিল্লি, ১৫ নভেম্বর: দেশের অর্থনীতিতে মন্দা চলছে তা সকলেই বলছেন। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ থেকে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। সকলেই বলছে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভারতের অর্থনীতি। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা তা মানতে নারাজ। এ যেন ভাঙব তবু মচকাব না। এর আগে কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো বলে দাবি করেন। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ আঙ্গাদি (Suresh Angadi)। তাঁর দাবি, দেশের অর্থনাতি ঠিক আছে। কারণ বিমানবন্দর (Airport) এবং ট্রেনে (Train)সব যাত্রীতে পূর্ণ থাকছে এবং অনেক লোকজন বিয়েও সারছে। মন্ত্রীর দাবি, এগুলিই ইঙ্গিত দেয় যে দেশের অর্থনীতি ভালো জায়গায় রয়েছে।

শুক্রবার উত্তরপ্রদেশে রেলের কাজ পরিদর্শনে গেছিলেন রেল মন্ত্রকের প্রতি মন্ত্রী সুরেশ আঙ্গাদি। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি অর্থনীতি নিয়ে নিজের দাবি পেশ করেন। বিরোধীদের যাবতীয় অভিযোগ খণ্ডন করে তিনি বলেন, "প্রতি তিন বছরে অর্থনীতি ধীরে ধীরে নামে। কয়েকজন লোক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে।" এরপরই তিনি বলেন, "বিমানবন্দর, ট্রেন যাত্রীপূর্ণ। লোকজন বিয়েও করছে। কিছু লোক অর্থনীতির মন্দার কথা বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন।" কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, "প্রতি তিন বছরে অর্থনীতির চাহিদা হ্রাস পায়। এটি একটি চক্র। তারপরে অর্থনীতি আবারও উপর দিকে ওঠে।" আরও পড়ুন: Mumbai, Kolkata Is Worst City To Drive: গাড়ি চালানোর জন্য বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ শহর মুম্বই ও কলকাতা

কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি অর্থনীতির অবস্থা নিয়ে সরকারের টানা সমালোচনা করে আসছে এবং সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে বিষয়টি উত্থাপনের পরিকল্পনা করছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, বিশ্ব ব্যাঙ্ক, আইএমএফ-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চলতি অর্থবর্ষের আর্থিক বৃদ্ধি নিয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে আগেই। সম্প্রতি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ছাঁটাই করেছে স্টেট ব্যাঙ্কের গবেষণা শাখা। আর বৃহস্পতিবার মূল্যায়ন সংস্থা মুডি’জ ইনভেস্টরস সার্ভিস জানিয়ে দিল, ২০১৯ সালে ভারতের বৃদ্ধির হার নামবে অতীতের পূর্বাভাসেরও নীচে। তা হতে পারে ৫.৬%। তারা জানিয়েছে, বিনিয়োগকে চাঙ্গা করার জন্য কেন্দ্র ধারাবাহিক পদক্ষেপ করলেও তার কোনওটিই ক্রেতার চাহিদার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। অথচ, এ দফায় বৃদ্ধি মূলত আটকে খাচ্ছে চাহিদা না থাকার জন্যই।