Shramik Special Trains: শ্রমিক ট্রেনে মৃতের সংখ্যা ৮০, আরপিএফের তথ্যে প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় রেল
শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন (Photo Credits: PTI|File)

নতুন দিল্লি, ৩০ মে: হিন্দুস্তান টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, আরপিএফ-র (RPF Data) দেওয়া তথ্য অনুসারে ৯ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত শ্রমিক ট্রেনে (Shramik Train) মৃতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৮০। এদিকে রেল মন্ত্রক জানায় ৯ জন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর কথা। যারফলে বড়সড় প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় রেল (Central Rail)। গত ১ মে থেকে পরিযায়ী শ্রমিক, আটকে পড়া তীর্থযাত্রী ও ছাত্রছাত্রীদের ফেরাতে শ্রমিক ট্রেন ও স্পেশাল ট্রেন চালু করেছে কেন্দ্র।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবর অনুযায়ী, শ্রমিক ট্রেনে যাত্রীবাহী ৮০ জন মৃতের মধ্যে ১৮ জন নর্থ-ইস্ট রেলওয়ে জোনে, নর্থ সেন্ট্রাল জোনে ১৯ জন এবং ইস্ট রেলওয়ে জোনে ১৩ জন নিহত হওয়ার কথা কথা জানা যায় আরপিএফের তথ্যে। আরও পড়ুন, কোমরবিডিটি, প্রসূতি, শিশু-বৃদ্ধদের শ্রমিক ট্রেনে পরিবহন না করার আর্জি জানাল ভারতীয় রেল

প্রায় ৩,৪৮০ টি ট্রেনে যাত্রীদের নিজেদের রাজ্যে পৌঁছে দিয়েছে রেল। রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল যারা শ্রমিক ট্রেনে মারা গেছেন তাদের মৃত্যুর পিছনে কোমরবিডিটি অর্থাৎ আগে থেকেই অসুস্থতা নিয়ে যাত্রা করা যাত্রীদেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানান।এরপর রেল সাফ জানিয়ে দেয় যারা রোগাক্রান্ত অর্থাৎ ডায়াবেটিস, হাইপার টেনশন, হৃদরোগ, ক্যান্সারের মতো রোগী-সহ প্রসূতি এবং ১০ বছরের নিচে বয়স বাচ্চাদের ও ৬৫ বছরের ঊর্ধ্ব বয়স্কদের ট্রেনে উঠবেন না। তবে অত্যন্ত জরুরি হয়ে থাকলে তারা ট্রেনে আসতে পারেন। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি-"কোমরবিডিটি রোগীরা যারা ট্রেনে যারা যাতায়াত করছেন তারা COVID-19 মহামারী চলাকালীন ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছেন। তাই যাত্রাপথে এরকম মৃত্যুর কয়েকটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটছে।"

তারা আরও জানায়, দেশের সকল নাগরিক যাতে পর্যাপ্ত রেল পরিষেবা পায় তা নিশ্চিত করতে রেল ২৪x৭ কাজ করছে। "আমরা এই বিষয়ে সকল নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করছি। কোনও বড় সমস্যা বা জরুরী পরিস্থিতি ছাড়া রেলপথে পরিবহন করবেন না এবং আমরা আপনাকে সর্বদা সহায়তা করব।" দুটি হেল্পলাইন নম্বর - ১৩৯ এবং ১৩৮ দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে।