Pegasus Row: পেগাসাসের নজরে ছিল শিল্পপতি অনিল আম্বানির ফোন নম্বর
অনিল আম্বানি (Photo Credits: ANI)

মুম্বই, ২৩ জুলাই: ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার পেগাসাসের নজরাদারিতে ছিল শিল্পপতি অনিল আম্বানি (Anil Ambani) ও ওডিএ গ্রুপের এক কর্মকর্তার ফোন নম্বর৷ সংবাদ সংস্থা ওয়্যার এই প্রসঙ্গে জানিয়েছে, অনিল আম্বানি যে ফোন নম্বর ব্যবহার করতেন, সেটিতেই নজরদারি চালাত পেগাসাস৷ সেই সঙ্গে অনিল ধীরুভাই আম্বানি গ্রুপের আর এক কর্মকর্তাও নম্বরও রয়েছে এই তালিকায়৷ পেগাসাসের নজরবন্দি ফোন নম্বরের একটি তালিকা বৃহ্স্পতিবার ওয়্যার সামনে এনেছে৷ আম্বানি ছাড়াও সেখানে রয়েছে কর্পোরেট কমিউনিকেশনসের টনি জেসুডাসন ও তাঁর স্ত্রীর ফোন নম্বর৷ তবে অনিল আম্বানি এই ফোন নম্বর এখনও ব্যবহার করছেন কি না তা জানা যায়নি৷ এমনকী এহেন রিপোর্ট নিয়ে এখনও কোনও বিবৃতি দেয়নি অনিল ধীরুভাই আম্বানি গ্রুপ৷

তথ্যানুসারে ড্যাসল্ট অ্যাভিয়েশনের ভারতীয় প্রতিনিধি ভেঙ্কটা রাও পসিনা, প্রাক্তন সাব ইন্ডিয়া প্রধান ইন্দরজিৎ সিয়াল, বোয়িং ইন্ডিয়া বস প্রত্যুষ কুমার প্রমুখের ফোন নম্বরই ২০১৮-১৯-এর বিভিন্ন সময়ে পেগাসাসের নজরদারিতে ছিল৷ ফ্রেঞ্চ ফার্ম এনার্জি ইডিএফ-এর প্রধান হরমনজিৎ নেগির নম্বরেও নজরদারি চালাত স্পাইওয়্যার পেগাসাস৷ ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রন যখন ভারত সফরে আসেন তখন প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধি দলে ছিলেন হরমনজিৎ নেগি৷

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার দুই মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিরোধী শিবিরের তিন জন গুরুত্বপূর্ণ নেতানেত্রী। এক জন সাংবিধানিক পদে আসীন ব্যক্তি। চল্লিশ জনের বেশি সাংবাদিক। একগুচ্ছ ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি। নিরাপত্তা সংস্থার বর্তমান ও প্রাক্তন প্রধান। এ ছাড়াও সমাজকর্মী, সরকারি আমলা, আইনজীবী৷ এঁদের সবার ফোনেই ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার পেগাসাসের সাহায্যে নজরদারি চালাচ্ছে মোদি সরকার৷ গত রবিবার এই খবর প্রকাশ্যে আসে৷ আরও পড়ুন-2020 Tokyo Olympics: টোকিও অলিম্পিকে নতুন রেকর্ড গড়লেন তিরন্দাজ দীপিকা কুমারী

প্যারিসের অলাভজনক সংস্থা ফরবিডেন স্টোরিজ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হাতে তথ্য আসে প্রথম৷ তা হল, ইজরায়েলি সংস্থা যেসব দেশকে পেগাসাস বেচেছিল তাদেরই তথ্য ভাণ্ডার ফাঁস হয়ে যায়৷ ৫০ হাজার নম্বর প্রকাশ্যে চলে আসে৷ এরমধ্যে ৩০০ নম্বর ভারতের৷ কে বা কারা এই কাজের পিছনে রয়েছে তা জানতে বিশ্বের ১৬ সংবাদ মাধ্যমের হাতে এই তথ্য ভাণ্ডার তুলে দেয় ফরবিডেন স্টোরিজ৷ পেগাসাস প্রজেক্টের নামে তদন্ত শুরু হয়৷ তাতে ৩৭টি ফোনে ফরেন্সিক পরীক্ষায় স্পাইওয়্যারের উপস্থিত মেলে৷ যার মধ্যে ১০টি ফোন নম্বর ভারতের৷