Rangoli Protest: এমকে স্তালিন-কানিমোঝির বাড়ির সামনে রঙ্গোলি দিয়ে সিএএ-এনআরসির প্রতিবাদ জানালেন প্রতিবাদকারীরা
রঙ্গোলি দিয়ে সিএএ-এনআরসির প্রতিবাদ (Photo Credits: Twitter)

চেন্নাই, ৩০ ডিসেম্বর: সারা দেশের পাশাপাশি সিএএ-এনআরসির প্রতিবাদ যেন ঘনীভূত হচ্ছে দক্ষিণেও। গলা চড়িয়ে যেমন প্রতিবাদের নজির মিলছে তেমনই মিলছে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদের নিদর্শন। দক্ষিনী রাজ্য তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu) বেশ কয়েক দিন ধরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের এক অভিনব ধারা বেছে নিয়েছেন প্রতিবাদকারীরা। রঙ্গোলি (Rangoli) দিয়ে 'নো সিএএ, নো এনআরসি' লিখে প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন তাঁরা চলতি দেশজোড়া জাগরণের। সোমবার সকাল যেন সাক্ষী হল তেমনই এক প্রতিবাদের। যে প্রতিবাদ সমস্ত গলা চড়ানো প্রতিবাদের কানে নিঃশব্দে বলে দেয় 'রাজা তোর কাপড় কোথায়?' এদিন সকাল হতেই দেখা যায় কারা যেন প্রয়াত এম করুণানিধি, ডিএমকে প্রধান এমকে স্তালিন এবং ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝির বাড়ির বাইরে এঁকে দিয়ে গেছে 'নো সিএএ, নো এনআরসি' র রঙ্গোলি!

জানা গিয়েছে, গতকাল রবিবারই এমন রঙ্গোলি প্রতিবাদের কারণে সাত জনকে আটক করে চেন্নাই পুলিশ (Chennai Police)। তাঁর প্রতিবাদ জানাতেই খোদ রাজ্যের দণ্ডমুণ্ডের কর্তাদের বাড়ির বাইরে এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। রবিবার রঙ্গোলির মাধ্যমে সিএএ বিরোধিতার বার্তা দেন একদল বিক্ষোভকারী। ঘটনায় অন্তত ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে ৪ জনই মহিলা। ডিএমকে প্রধান অবশ্য সিএএ এবং এনআরসি'র বিরুদ্ধে এমন প্রতিবাদের জন্য মানুষকে আটক করার বিষয়টিকে নিন্দার চোখেই দেখেছেন। নিজের ফেসবুক পোস্টে (Facebook Post) তিনি এই বিষয়ে প্রতিবাদও জানিয়েছেন। এআইএডিএমকে সরকারকে তুলোধোনা করে তিনি বলেছেন, এমনভাবে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে। আরও পড়ুন: Delhi Weather Update: শৈত্যপ্রবাহের জেরে ঠান্ডায় জবুথবু রাজধানী দিল্লি, কুয়াশায় বিপর্যস্ত পরিবহন ব্যবস্থা, দূষণ যেন গোদের ওপর বিষফোঁড়া

গতকালের ঘটনা প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, এ দিন সকালে শহরের ব্যস্ত বেসান্ত নগর বাসস্ট্যান্ডে রঙ্গোলি আঁকছিলেন বিক্ষোভকারীরা (Protesters)। পুলিশের বক্তব্য, এরফলে ওই রাস্তায় যান চলাচল ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। যে কারণে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁদের অন্য কোথাও চলে যেতে বলেন। তারপরেও বিক্ষোভকারীরা রঙ্গোলি দেওয়ার জন্য রাস্তার মাঝে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে পুলিশ ব্যবস্থা নেয়। আটক (Detain) করা হয় বিক্ষোভকারীদের। তবে দুপুর নাগাদ তাঁদের প্রত্যেককে ছেড়েও দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে।