Prashant Kishor. (Photo Credits: X)

Prashant Kishor: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আসনে জিতে ক্ষমতায় ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (CM Nitish Kumar)। নরেন্দ্র মোদী ও নীতীশ কুমারের এনডিএ ২০২টি আসনে জিতে বিহারে ফের সরকার গড়ছে। একেবারে ধরাশায়ী হয়েছে বিরোধী জোট। প্রথমবার নির্বাচনে লড়ে কোনও আসনে না জিতে, ২৩৮টি-তে লড়ে ২৩৬টি আসনে জামানত জব্দ হয়ে মহালজ্জার মুখে পড়েছেন ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোর। নীতীশ-মোদী জোটের এই ঐতিহাস্যিক সাফল্যের পিছনে মহিলাদের ভোটের কথা উঠছে। ভোটের মুখে বিহারের মহিলাদের ১০ হাজার টাকার ভাতা ট্রান্সফার করে বাজিমাত করেন নীতীশ কুমার। এমন কথাই সবাই বলছেন। জনসূরজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোরের দাবি, ভোটের মুখে রাজ্যের মহিলাদের যে ১০ হাজার টাকা অর্থ দিয়েছেন নীতীশ কুমার, তার সবটাই এসেছে বিশ্বব্য়াঙ্কের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থের। বিশ্বব্য়াঙ্ক পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ২১ হাজার কোটি টাকা বিহার সরকারকে দিয়েছিল। বিশ্বব্য়াঙ্কের পাঠানো সেই তহবিল থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার অর্থ ভোটে জিততে বিহারের মহিলাদের দেন নীতীশ কুমার। এমন দাবি করেছেন প্রশান্ত কিশোর।

বিশ্বব্য়াঙ্কের পাঠানো ২১ হাজার কোটি টাকার তহবিলের ১৪ হাজার কোটি খরচ মহিলাদের নগদ অর্থ দিতে: প্রশান্ত কিশোর

প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টির দাবি, বিশ্বব্যাঙ্ক থেকে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ২১,০০০ কোটি টাকার মধ্যে ১৪,০০০ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই টাকা ব্যবহার করে বিহারের ১.২৫ কোটি মহিলা ভোটারের অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ টাকা করে বিতরণ করা হয়েছে, যা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে করা হয়েছে। এই বিতরণ 'মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনা' (Mukhyamantri Mahila Rojgar Yojana) নামে পরিচালিত হয়েছে। বিহারে মোট ৪ কোটিরও বেশি মহিলা ভোটারের মধ্যে ১.২৫ কোটি মহিলা এই সুবিধা পেয়েছে, যা নির্বাচনের আগে ভোটারদের মধ্যে ভয় দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে তারা ভাবে যে এনডিএ না জিতলে সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। এমনই দাবি প্রশান্ত কিশোরের।

দেখুন খবরটি

বিস্ফোরক অভিযোগ

বিহার বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে আদর্শ আচরণ বিধি বা মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট (MCC) জারি হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টা আগে এই ১৪ হাজার কোটি টাকা বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছিল। এটি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম ভঙ্গ করে এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার স্পষ্ট চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে দাবি জনসূরজ পার্টির।