চলতি বছরে ২ হাজারেরও বেশি বার গুলি চালিয়েছে পাকিস্তান, মৃত্যু হয়েছে ২১ ভারতীয়র; জানাল বিদেশ মন্ত্রক
(Photo credits: IANS)

নয়া দিল্লি, ১৫ সেপ্টেম্বর : চলতি বছরে পাকিস্তান (Pakistan) ২ হাজারেরও বেশি বার বিনা প্ররোচনায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন (Unprovoked Ceasefire Violation) করে গুলি চালিয়েছে। তাতে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ এই তথ্য জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক (MEA)। বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, বারে বারে পাকিস্তানকে ২০০৩ সালের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি মানার কথা বলা হলেও তারা মানেনি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার (EA spokesperson Raveesh Kumar) বলেন, "আমরা পাকিস্তান সেনার বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানোর বিষয়টি জনসমক্ষে এনেছি। তাছাড়া ওরা সীমান্তে অনুপ্রবেশেও মদত দিচ্ছে। পাকিস্তানের সেনারা ভারতের সেনা চৌকি ও সাধারণ নাগরিকদের টার্গেট করছে।"

 

রবীশ কুমার বলেন, "এবছর তারা এখনও পর্যন্ত ২০৫০ বার বিনা প্ররোচনায় (Unprovoked) গুলি চালিয়েছে। তাতে ২১ জন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। আমরা তাদের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি মানার কথা বারে বারে বলেছি।" ভারতীয় সেনারা (Indian army) যথেষ্ট সংযত আচরণ করেছে। জঙ্গি অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে জবাব দিতে দায়িত্বশীল পরিচয় দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন :  রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলা হচ্ছে, নরেন্দ্র মোদিকে তোপ দেগে বললেন শরদ পাওয়ার

 

শুক্রবার পাকিস্তান সেনা (Pakistan army)তাদের দুই মৃত সেনার দেহ ফিরিয়ে নিয়ে যায়। যারা ভারতীয় সেনার চালানো গুলিতে মারা যায়। যদিও ৫ বর্ডার অ্যাকশন টিমের (Border Action Team) জওয়ানের দেহ তারা ফিরিয়ে নিয়ে যায়নি। এই ৫ কমান্ডে কেরান সেক্টরে (Keran sector of Jammu and Kashmir) অনুপ্রবেশ করতে গিয়ে ভারতীয় সেনার গুলিতে মারা যায়।

 

নরেন্দ্র মোদি সরকারের ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পর সীমান্তের উভয় পাড়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা বাড়ছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran khan) গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে একটি সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে পাকিস্তান কাশ্মীরের জনগণকে "মুক্তি" দিতে যে কোনও পদক্ষেপ নেবে। অন্যদিকে, ভারত সরকারের পদস্থ আধিকারিকরা জানিয়ে দিয়েছেন যে এবার পরবর্তী পদক্ষেপ হবে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) পুনর্মিলন করা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও (Rajnath Sing) সম্প্রতি বলেন, এবার পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা হলে কাশ্মীর নয়, শুধুমাত্র পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা হবে।