Article 370 Move: কাশ্মীরে ১৪৪ ধারা উঠতেই অমিত শাহর পিঠ চাপড়ে দিলেন অজিত ডোভাল, উপত্যকার নিরাপত্তা নিয়ে কী বললেন তিনি?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ(Photo Credit: IANS)

দিল্লি, ১৯ আগস্ট: গত পাঁচ তারিখে উপত্।কার স্পেশ্যাল স্টেটাস খর্ব করে কেন্দ্র। ঠি সেদিন থেকেই শ্রীনগরে থাকছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (NSA Ajit Doval)। আজ তিনি দিল্লিতে ফিরতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Home Minister Amit Shah) সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন। মূলত উপত্যকা সম্পর্কে যাবতীয় খবরাখবর আদানপ্রদানই ছিল এই বৈঠকের অন্যতম বৈশিষ্ট। কাশ্মীরের পরিস্থিতি কেমন আছে, সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাই বা কতটা সক্রিয় এসব নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে গ্রাউন্ড রিপোর্ট দিলেন অজিত ডোভাল। সেই সঙ্গে মাত্র ১৪ দিনের ব্যবধানে ৩৭০ ধারার (Article 370) বিলোপ ঘটিয়ে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অমিত শাহ যে কাজ করেছেন তারজন্য পিঠ চাপড়ে দিলেন ডোভাল।

এদিনের বৈঠকে অমিত শাহ ও অজিত ডোভাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব রাজীব গৌবা (Rajib Gauba) ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা। এমনই এক সময়ে বৈঠক শুরু হয় যখন কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) ২০০টি স্কুল খুলে গিয়েছে। প্রায় ১৪ দিন অচলায়তন কাটিয়ে সরকারি অফিসগুলিতেও স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিনে শ্রীনগরে থাকাকালীন সময়টির সদ্ব্যবহার করতে ভোলেননি ডোভাল। তিনি উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে ঘুরে বেরিয়েছেন যত্রতত্র্। কখনও তাকে সোপিয়ানে স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। কখনও তিনি সিআরপিএফ জওয়ানদের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করছেন এমন ছবিও ধরা পড়েছে। উপত্যকার শান্তি পরিস্থিতি ফুটিয়ে তুলতে থার্মোকলের প্লেটে রাস্তায় বিরিয়ানি খেতেও দেখা গিয়েছে অজিত ডোভালকে। এনিয়ে প্রবীণ কংগ্রেসনেতা গুলাম নবি আজাদ কটাক্ষ ছেড়েছেন। তবে পাল্টা দিতে সুযোগ ছাড়েননি বিজেপি নেতা শাহনওয়াজ হুসেন। আরও পড়ুন-Article 370 move: কাশ্মীর প্রশ্নে কেন্দ্রকে সমর্থন, চাপের মুখে রাজনীতি ছাড়তে পারেন ভূপিন্দর সিং হুডা

এদিকে ৩৭০ধারা রদ প্রসঙ্গে বাড়াবাড়ি শেষ দেখতে ছাড়েনি পাকিস্তান। তবে সেসবের কিছুকেই পাত্তা দেয়নি নয়া দিল্লি। সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এটি ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় পাকিস্তানের নাক গলানোর দরকার নেই। চিনও যেন এনিয়ে কথা বলতে না আসে। এদিন কালকা-র এক সভামঞ্চ থেকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘আলোচনাই একমাত্র পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সমস্যার সমাধান করতে পারে। আলোচনা না হলে আরো হাজারটা সমস্যা জুড়বে তাতে সন্দেহ নেই।’