Coldest Places In India: এই শীতে লখনউ থেকে কাশ্মীরে চলছে শৈত্য প্রবাহ, ১১৯ বছরের রেকর্ড ভেঙে কাঁপছে উত্তর ভারত
প্রতীকী ছবি (Representational Image Only)

নতুন দিল্লি, ৩১ ডিসেম্বর: গত সপ্তাহে ঘন কুয়াশায় প্রায়ান্ধকার ছিল গোটা উত্তর ভারত (Northern India)। হাড়কাঁপানো ঠান্ডার কবলে জবুথবু রাজধানী দিল্লি (Delhi), রাজস্থান, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ। বিহার ও মধ্যপ্রদেশেও পড়েছে তীব্র শীত। সোমবারের দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ধরলে গত ১১৯ বছরে এরকম ঠান্ডা আর কখনও পড়েনি রাজধানীতে। সোমবার দিল্লির সফদরজং-এ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৯.৪ ডিগ্রি। স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে এটি ছিল ১১.৪ ডিগ্রির নিচে। গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে হুহু করে নামতে শুরু করেছে দিল্লি-সহ গোটা উত্তরভারতের তাপমাত্রা। কনকনে ঠান্ডা আর কুয়াশায় কাবু এর আগে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর দিল্লির তাপমাত্রা নেমেছিল ১১.৩ ডিগ্রিতে।

এর আগে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল ৯.৮ ডিগ্রি। ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় সোমবার দিল্লিগামী ২০টি বিমানকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। বাতিল করতে হয় ৪টি উড়ান। এদিন বেলা ১২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত ৫৩০ উড়ানে দেরি হয়। কুয়াশার কারণে দেরিতে চলেছে দিল্লিগামী ৩০টি ট্রেনও। দিল্লির থেকেও খারাপ অবস্থা রাজস্থানের। সোমবার জয়পুরের তাপমাত্রা ছিল ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ৫৫ বছরের এটি একটি রেকর্ড।  ১৯৬৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর জয়পুরের তাপমাত্রা নেমেছিল শূন্য ডিগ্রিতে। গত তিন দিন ধরে রাজস্থানের তাপমাত্রা নামছে দ্রুত। কয়েকদিন ধরেই টানা শৈত্যপ্রবাহ চলছে পঞ্জাবের বিভিন্ন জায়গায়। সোমবার ফরিদকোটের তাপমাত্রা গিয়ে দাঁড়ায় ০.৭ ডিগ্রিতে।  অমৃতসরে তাপমাত্রা নেমে গিয়ে দাঁড়ায় ১.২ ডিগ্রিতে। লুধিয়ানা ও পাতিয়ালায় তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৪.৬ ডিগ্রি ও ৪.৫ ডিগ্রি। আরও পড়ুন-Yogi Adityanath: ‘সন্ন্যাসীর লোককল্যাণে বাধা দিলে শাস্তি পাবে’, টুইট বার্তায় প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে জবাব যোগী আদিত্যনাথের

একাধিক জায়গাতে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রির মাঝে ঘোরাফেরা করছে। সফদরজংয়ে তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পালামে তাপমাত্রা ছিল ২.৯ ডিগ্রি। অভিজাত লোধি রোড এলাকায় তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ২.২ ডিগ্রিতে।দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে জারি হয়েছে 'লাল সতর্কতা'। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল-কলেজ। হিমাচল প্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, ওড়িশা এবং গুজরাতে ক্রমশ কমছে তাপমাত্রার পারদ। ভয়ঙ্কর ঠান্ডায় উত্তরপ্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। প্রবল ঠান্ডায় জমে গিয়েছে ডাল লেকের জল। গত ২৯ ডিসেম্বর শ্রীনগরের তাপমাত্রা নেমেছিল -৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।