নয়াদিল্লিঃ রক্তের সম্পর্কের (Blood Relation) ঊর্ধ্বেও কিছু সম্পর্ক ভরসার জায়গা হতে পারে, তা আবারও প্রমাণ করে দিলেন এক বৃদ্ধ। পরিচারিকার নাতনিকে নিজের সমস্ত সম্পত্তি উইল করে দিয়ে গিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। এবার আদালত সেই উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে সিলমোহর দিল। কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধ?
জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের আমেদাবাদে। ২০১৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সালে প্রয়াত হন ওই বৃদ্ধ। তাঁর নাম গুস্তাদ বরদরজি। ৮৯ বছর বয়সে মারা যান তিনি। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন তিনি। আমেদাবাদের শাহিবাগে ১৫৯ স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাটে স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। তাঁদের কোনও সন্তান ছিল না। তাঁদের দেখাশোনার জন্য একজন পরিচারিকা ছিলেন বাড়িতে। তাঁর নাতনি মাঝেমধ্যেই ওই বাড়িতে আসত। তাঁর নাম আমিশা। তখন তাঁর বয়স বয়স ছিল ১৩ বছর। আমিশাকে ভীষণ স্নেহ করতেন গুস্তাদ বরদরজি। ধীরে ধীরে আমিশার প্রতি মায়া বাড়ে গুস্তাদের। নাতনির মতো তাকে আগলে রাখতে শুরু করেন তিনি। আমিশার পড়াশোনার দায়িত্বও নেন। ২০১৪ সালে যখন ধীরে ধীরে ক্ষয় হচ্ছে শরীর, নানা রোগভোগ মাথাচাড়া দিচ্ছে তখন সম্পত্তির উইল করার সিদ্ধান্ত নেন গুস্তাদজি। ভাইপো বেহরানকে এক্সিকিউটর হিসেবে উইলে রাখেন। সেখানে বলা হয়। উল্লেখ করা হয়, আমিশার সাবালক হওয়া পর্যন্ত রেহান তার অভিভাবক থাকবেন। তাঁর নামে সমস্ত সম্পত্তি উইল করা হয়। ২০২৩ সালে আমিশা ওই উইলের প্রবিটের জন্য সিটি সিভিল আদালতে যায়। গত ২ অগস্ট আদালত আমিশাকেই গুস্তাদের সম্পত্তির উত্তরাধিকারের শংসাপত্র হাতে তুলে দেয়।