Birsa Munda Death Anniversary Image Quote(Photo Credit: File Photo)

নয়াদিল্লি: বিরসা মুন্ডা (Birsa Munda) ছিলেন রাঁচি অঞ্চলের মুন্ডা আদিবাসী সম্প্রদায়ের একজন কিংবদন্তি নেতা এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী। তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে এবং আদিবাসীদের জমি ও অধিকার রক্ষার জন্য মুন্ডা বিদ্রোহ (উলগুলান) পরিচালনা করেন। বিরসা মুন্ডার উলগুলান বিদ্রোহ (১৮৯৯-১৯০০) শুধু মুন্ডা সম্প্রদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি সাঁওতাল এবং অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা জাগিয়েছিল। তাঁর নেতৃত্ব সাঁওতালদের মধ্যে জাতিগত ঐক্য ও অধিকার রক্ষার প্রেরণা জোগায়।

বিরসা মুন্ডা আজও সাঁওতাল সমাজে মধ্যে একজন প্রতীকী ব্যক্তিত্ব। তাঁকে ‘ধরতি আবা’ হিসেবে সম্মান করা হয়। আজও ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের সাঁওতাল সম্প্রদায় বিরসা মুন্ডাকে একজন নায়ক হিসেবে শ্রদ্ধা করে। আরও পড়ুন: Delhi Fire: চার্জ দিতে গিয়ে বিপত্তি, পুড়ে ছাই ই-রিক্সা, মৃত্যু ২ জনের

১৯০০ সালের ৯ জুন মাত্র ২৫ বছর বয়সে, রাঁচি জেলে বিরসা মুন্ডার মৃত্যু হয় । অফিসিয়াল রিপোর্টে বলা হয়, তিনি কলেরায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর মুন্ডা বিদ্রোহ দমন করা হয় এবং শতাধিক বিদ্রোহীকে গ্রেফতার করা হয় অনেককে ফাঁসি দেওয়া হয়।

বিরসা মুন্ডার মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন রাহুল গান্ধী। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখছেন, ‘আদিবাসী মহানায়ক ধরতি আবা ভগবান বিরসা মুন্ডা জি-র মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। জল, বন ও ভূমি রক্ষায় তাঁর আত্মত্যাগ, সংগ্রাম এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর দৃঢ় কণ্ঠস্বর - আমাদের সকলকে সত্য, ন্যায়বিচার এবং অধিকারের জন্য লড়াইয়ের পথে চলতে অনুপ্রাণিত করে। তাঁর উত্তরাধিকার কংগ্রেস পার্টির মূল ধারণার সাথে যুক্ত - সমাজের সবচেয়ে বঞ্চিত ও শোষিত শ্রেণীর কণ্ঠস্বর।’

রাহুল গান্ধীর শ্রদ্ধাঞ্জলি