Narendra Modi at Rajya Sabha: রাজ্যসভায় নেতাজির প্রসঙ্গ টেনে বাংলাকে খোঁচা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির; উঠে এল কৃষক সম্মান নিধি যোজনা প্রসঙ্গও
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Picture Credits: ANI)

নতুন দিল্লি, ৮ ফেব্রুয়ারি: আজ রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) অধিবেশনে কৃষক আন্দোলন থেকে বিরোধীদের কটাক্ষের জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। নিশানায় ছিল বাংলা। পশ্চিমবঙ্গে কৃষক সম্মান নিধি যোজনা প্রয়োগ না করা নিয়েও কটাক্ষ করেন। গতকাল হলদিয়ায় যে বিষয়গুলিকে বাংলার পিছিয়ে পড়ার কারণ হিসেবে তুলে ধরেন, আজ রাজ্যসভাতেও একই কথা বলেন। পাশাপাশি কটাক্ষের সুরে বলেন, 'বাংলায় রাজনীতি না হলে বাংলার কৃষকরাও এই সুবিধা পেতেন। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য পেনশনের সুবিধাও করা হয়েছ। গণতন্ত্র নিয়ে বিরোধীরা সংসদে অনেক কথা বলেছেন। মনে হচ্ছিল যেন বাংলার কথা বলছেন! গণতন্ত্র নিয়ে বিরোধীরা যা বলেছেন, মানুষ তা বিশ্বাস করে না। ভারত শুধু বিশ্বের সবথেকে বড় গণতন্ত্র নয়। ভারত গণতন্ত্রের জননী। ভারতের গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। যুব সমাজকে নেতাজির আদর্শের পাঠ দেওয়া প্রয়োজন।'

কৃষক আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কৃষক আন্দোলন নিয়েও অনেক কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু কৃষিমন্ত্রীর প্রশ্নের জবাব কেউ দিচ্ছে না।' পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার যে কৃষকদের নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত তা তথ্য দিয়ে সামনে তুলে ধরেন মোদি। তিনি বলেছেন,'দেশে ৩৩ শতাংশ কৃষকের কাছে জমি ২ বিঘের কম। ১৮ শতাংশ কৃষকের কাছে ২-৪ বিঘে জমি আছে। আজ দেশে ছোট কৃষকের সংখ্যা ৬৮ শতাংশ। ৮৬ শতাংশ কৃষকের জমি ২ হেক্টরের কম। এমন কৃষকের সংখ্যা দেশে ১২ কোটির বেশি। এই ক্ষুদ্র কৃষকদের সম্পর্কে চিন্তা আমাদের করতে হবে। ক্ষুদ্র কৃষক ঋণ মকুবের সুবিধা পান না। কারণ তাঁদের ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট নেই। সেচের সুবিধাও ক্ষুদ্র কৃষকদের ভাগ্যে নেই। বিমার সুবিধাও ক্ষুদ্র কৃষকরা পান না ২০১৪-র পর ফসল বিমার আওতায় ক্ষুদ্র কৃষকদের আনা হয়েছে। ছোট কৃষকদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকদের অ্যাকাউন্টে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন।' আরও জানান, এমএসপি ছিল, আছে এবং থাকবে। আরও পড়ুন, 'তৃণমূল একের পর এক ফাউল করছে, বাংলা খুব দ্রুত তাদের রামকার্ড দেখাবে', হলদিয়ায় বললেন নরেন্দ্র মোদি

কৃষক আন্দোলনের বিষয়ে বক্তব্যে বেশ খানিকক্ষণ সময় দিয়ে তিনি এও বলেন, ‘আলোচনার রাস্তা সবসময় খোলা আছে। আন্দোলনকারীরা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসুন, আন্দোলন প্রত্যাহার করুন।‘আরও বলেন, ‘এতদিন শ্রমজীবী, বুদ্ধিজীবীর কথা শুনেছি। এখন নতুন এক শ্রেণি হয়েছে, তাঁরা আন্দোলনজীবী। আমাদের সেইসব মানুষকে খুঁজে বের করতে হবে। দেশকে আন্দোলনজীবীদের হাত থেকে বাঁচাতে হবে।’