মুম্বই, ৩০ অক্টোবর: মুম্বইয়ের (Mumbai Hostage Scare) পোয়াইতে শিশুদের আটকে রাখা রোহিত আর্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের গুলিতে প্রাণ গিয়েছে রোহিতের। তবে পোয়াইয়ের স্টেুডিয়োতে কী কারণে শিশুদের বন্দি বানিয়ে রাখে রোহিত আর্য, তা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। তবে কে এই রোহিত আর্য, যার কাণ্ডকীর্তিতে বৃহস্পতিবার হুলুস্থূল শুরু হয়ে যায় দেশের বাণিজ্য নগরীতে।
কে এই রোহিত আর্য?
মুম্বইয়ের আর এ স্টুডিয়োর কর্মী রোহিত আর্য (Rohit Arya)। তার একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে। মুম্বইয়ের আর এ স্টুডিয়োর কর্মী হওয়ায় নানা ধরনের অডিশন নিত এই রোহিত আর্য।
মুম্বইতে কর্মক্ষেত্র হলেও, আহতে পুণের বাসিন্দা রোহিত আর্য। মহারাষ্ট্রের শিক্ষা দফতরের টেন্ডার নিয়ে বেশ কিছু কাজও করে রোহিত। তবে সেখানকার টাকা সে পায়নি বলে জানা যায়।
২০২৩ সালে মহারাষ্ট্রে স্বচ্ছ মনিটর কনসেপ্ট চালু করে রোহিত আর্য। ওই সময়ও রোহিত আর্য নিজের কাজের সব টাকা পায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। এসব কারণেই রোহিত আর্যর ক্ষোভ উগরে ওঠে কি না, তা নিয়ে খোঁজ চলছে।
মুম্বই পুলিশের কথায়, মানসিকভাবে স্থিতধি নয় রোহিত আর্য। তার মানসিক সমস্যা ছিল। তবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আগেই সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। মারা যায় রোহিত আর্য।
বৃহস্পতিবারমুম্বইয়ের পোয়াইয়ে একটি স্টুডিয়োতে বেশ কয়েকজন শিশুকে পণবন্দি করে রোহিত। এরপর রোহিত একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে। যেখানে তাকে দাবি করতে শোনা যায়, তার কোনও দাবিদাওয়া নেই। তবে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে সে কথা বলতে চায়। তাই তার দাবি মত তাকে কথা বলতে দেওয়া হোক। না হলে সে পোয়াই স্টুডিয়োতে আগুন জ্বালিয়ে দেবে বলে দাবি করে। যা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।
পাশাপাশি তাকে কথা বলতে দেওয়া না হলে, বাচ্চাদের যদি ক্ষতি হয়, তাহলে তার জন্য তাকে কেউ দায়ি করতে পারবেন না বলে দাবি করে রোহিত আর্য নিজের ভিডিয়ো বার্তায়।
রোহিত আর্যর মোটিভ কী ছিল?
শিশুদের পণবন্দি করার পর রোহিত যে ভিডিয়ো পোস্ট করে সেখানে জানায়, আমি কোনও জঙ্গি নই। আমার টাকাপয়সার দাবিও নেই। আমার সামান্য কিছু কথা রয়েছে। সেই কথা আমায় বলতে দেওয়া হোক। কথা বলতে না দেওয়ার জন্য এভাবে যদি আমার মাথায় ট্রিগার রাখা হয়, তাহলে এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে আমি আগুন জ্বালিয়ে দেব। বাচ্চাদের কোনও ক্ষতি না হলেও, তারা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়বে। এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় রোহিত আর্থ নামের ওই ব্যক্তিকে।