নয়াদিল্লি: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুরে ৫০ ঘন্টার অভিযানে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী ২৭ জন মাওবাদীকে হত্যা করেছে, যার মধ্যে ছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া-মাওবাদী (সিপিআই-এম) সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজ (Basavraj)। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বাসবরাজকে খুঁজছিল, তাঁর মাথার দাম ছিল ১.৫ কোটি টাকা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই অভিযানকে ‘যুগান্তকারী সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বাসবরাজ কে?
১৯৫৫ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার জিয়নপেট্টা গ্রামে জন্ম হয় বাসবরাজের। তিনি ওয়ারাঙ্গলের রিজিওনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছিলেন। ১৯৭০-এর দশক থেকে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। ২০১৭ সালে মুপাল্লা লক্ষ্মণ রাও ওরফে গণপতির অসুস্থতার পর তিনি সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
বাসবরাজ ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেন, সেখানে তাঁরা গেরিলা যুদ্ধের কৌশল ব্যবহার করতেন। বাসবরাজের নেতৃত্বে মাওবাদীরা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বহু সংঘর্ষে জড়িয়েছিল, যার মধ্যে অনেকগুলি রক্তক্ষয়ী। আরও পড়ুন: Chhattisgarh Maoist Encounter: উদ্ধার হল বাহিনীর গুলিতে খতম হওয়া মাওবাদীদের দেহসহ অস্ত্র, পরিচয় জানা যায়নি ১০ জনের
মাওবাদীদের দাবি
মাওবাদীরা দাবি করেন, দরিদ্র কৃষক, আদিবাসী সম্প্রদায় এবং শ্রমিক শ্রেণির জন্য তাঁদের লড়াই। বাসবরাজ এবং তাঁর সংগঠনও আদিবাসী সম্প্রদায়ের জমি, জঙ্গল ও জীবিকার অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করার দাবি করে। তাঁরা ভূমি সংস্কার এবং সম্পদের ন্যায্য বণ্টনের জন্য সংগ্রামের দাবি করেন। তাঁরা মনে করেন সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।