সকাল সকাল অদ্ভূত এই দৃশ্য দেখে অবাক পথচারীরা। গায়ে বিয়ের পোশাক ও মাথায় বিয়ের পাগড়ি,সঙ্গে ব্যান্ড পার্টি বাজনা বাজাচ্ছে। এই অভিনব মিছিল দেখে অনেকেই মুচকি হেসেছেন কিন্তু তাঁদের কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই।বিয়ের পোশাকে হাতে বউ খোঁজার পোস্টার নিয়ে ঘোড়ায় চড়ে পাত্রদের দল হাজির সোজা জেলাশাসকের দপ্তরে। তাঁদের দাবি তাঁদের বউ চাই। কিন্তু পাত্রী খুঁজে পাচ্ছেন না। তাই তাঁদের জন্য পাত্রী খুঁজে দিতে হবে। আর সেই কারণেই তাঁরা দলবেঁধে হাজির হয়েছেন জেলাশাসকের অফিসে। তাজ্জব করা এই ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের সোলারপুরে।
#WATCH | Maharashtra: About 50 bachelors, wearing 'sehras' (wedding crowns), took out a procession with drums and horses to the Collector's office in Solapur, demanding implementation of the Pre-Conception and Pre-Natal Diagnostic Techniques (PCPNDT) Act (22.12) pic.twitter.com/Q4rHNZdr9A
— ANI (@ANI) December 23, 2022
আপাত দৃষ্টিতে অদ্ভূত ঘটনা হলেও এর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামাজিক সমস্যা। মহারাষ্ট্রে পুত্রসন্তানের নিরিখে কন্যাসন্তান কমে যাচ্ছে, তাই রাজ্যে নারী-পুরুষের অনুপাত উন্নত করার লক্ষ্যেই এই অভিনব শোভাযাত্রার আয়োজন করে 'ব্রাইডগ্রুম মোর্চা'। পরে তারা জেলাশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দেয়। যেখানে মোর্চার তরফে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়।
জ্যোতি ক্রান্তি পরিষদের সভাপতি রমেশ বারস্কর জানান- 'মানুষ আমাদের মোর্চাকে নিয়ে হাসি-মশকরা করতেই পারে, কিন্তু এটাই হচ্ছে করুণ বাস্তব। বিবাহযোগ্য পাত্ররা এখানে তাঁদের যোগ্য পাত্রী পাচ্ছে না। কারণ এই রাজ্যে নারী-পুরুষের অনুপাত এতটাই কম। রাজ্যে ১০০০ জন ছেলে প্রতি ৮৮৯ জন মেয়ে! এই অসাম্যের একটাই কারণ। তা হচ্ছে কন্যাভ্রূণ হত্যা। আর সরকার-ই এই বৈষম্যের পিছনে দায়ি।
The procession was named 'Bridegroom Morcha' to highlight the sex ratio imbalance in Maharashtra. The present situation of eligible bachelors not getting brides is also because of the skewed male-female ratio: Ramesh Baraskar, President of Jyoti Kranti Parishad (22.12) pic.twitter.com/tggnUgDrKo
— ANI (@ANI) December 23, 2022