Kerala woman found dead in UAE: সৌদি আরবের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হল কেরলের গৃহবধূর মৃতদেহ। ১৯ জুলাই, শনিবার উদ্ধার হয়েছে আথুল্যা (২৯) নামের ওই বিবাহিত মহিলার দেহ। নিহত মহিলার পরিবারের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে তাঁদের মেয়েকে। জামাই সতীশের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেছে আথুল্যার পরিবার। কেরল পুলিশ মামলার তদন্ত শুরু করেছে।
থানায় জামাইয়ের বিরুদ্ধে মেয়ে আথুল্যাকে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন নিহতের মা। অভিযোগে বলা হয়েছে, যৌতুকের জন্যে সতীশ মারধর করতেন অথুল্যাকে। ১৮ থেকে ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে সেই অত্যাচার চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। অথুল্যার পেটে লাথি মারা হয়। তাঁর মাথায় প্লেট দিয়ে আঘাত করেন সতীশ। যার ফলে মৃত্যু হয়েছে তাঁর মেয়ের।
নিহত মহিলার পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৪ সালে সতীশের সঙ্গে কেরলের কোল্লামের বাসিন্দা আথুল্যার বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের (Dowry) জন্যে মেয়ের উপর অত্যাচার শুরু করেন সতীশ। যদিও বিয়ের সময়ে একটি বাইক এবং ৪৩ ভরি সোনা দেওয়া হয়েছে আথুল্যার বাড়ির তরফে। কিন্তু তাতে মন ভরেনি সতীশের। বাবপের বাড়ি থেকে টাকা চাওয়ার জন্যে জোর দেওয়া হত আথুল্যাকে। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হত।
নিহত মহিলার পরিবারের তরফে পুলিশের কাছে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে আথুল্যার শরীরে আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সতীশ প্লাস্টিকের একটি স্টুল হাতে আথুল্যাকে মারতে উদ্যত হয়েছেন সেই দৃশ্যও দেখা গিয়েছে।
আথুল্যার বাবা রাজশেখরন পিল্লাই জানান, সতীশ মদ্যপ অবস্থায় প্রায়শই মারধর করতেন তাঁর মেয়েকে। তিনি মেয়েকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতেও চেয়েছিলেন। কিন্তু তা আর হয়ে উঠল না। তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং যৌতুক নিষিদ্ধকরণ আইন, ১৯৬১-এর বিভিন্ন ধারায় স্বামী সতীশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সতীশ। মৃতদেহ উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে আথুল্যা আত্মহত্যার তত্ত্ব উঠে এসেছিল। তাও অস্বীকার করেন সতীশ। তিনি জানান, আথুল্যা আত্মহত্যা করতে পারেন তা তিনি বিশ্বাস করেন না। স্ত্রীয়ের মৃত্যুর কারণ জানতে চান তিনিও।