Shibu Soren: আদিবাসী মানুষের উন্নয়নই ছিল জীবনের মূল মন্ত্র, জানুন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেনের আসল পরিচয়, কে তিনি দেখুন
রাজনৈতিক জীবন বর্ণময় ছিল শিবু সোরেনের। ১৯৮০ সালে লোকসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন শিবু সোরেন। রাজসভার পদও ছিল তাঁর। ১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০২০ সালে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন শিবু সোরেন।
দিল্লি, ৪ অগাস্ট: প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন (Shibu Soren)। সোমবার সকাল ৮.৫৬ মিনিটে প্রয়াত হন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Jharkhand Former CM)। ৮১ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ঝাড়খণ্ড জনমুক্তি মোর্চার প্রধান। শিবু সোরেন প্রয়াত হলে, তার খবর প্রকাশ করেন হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)।
দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন শিবু সোরেন। কিডনির অসুখ থেকে শুরু করে হৃদযন্ত্রের গণ্ডগোল, একাধিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন ঝাড়খণ্ড জনমুক্তি মোর্চার (JMM) প্রধান। জুন মাসের শেষ থেকেই দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল শিবু সোরেনের। সেখানেই সোমবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: Shibu Soren Passes Away: প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন
শিবু সোরেনের জন্ম কোথায়
ঝাড়খণ্ডের নেমরা গ্রামে জন্ম শিবু সোরেনের। হাজারিবাগ জেলার মধ্যে পড়ে এই নেমরা গ্রাম। শোভারন সোরেনের পুত্র হলেন শিবু সোরেন।
শিবু সোরেনের পড়াশোনা এবং বিয়ে
হাজারিবাগের গোলা হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন শিবু সোরেন। এরপর পড়াশোনা শেষ করেই আদিবাসী মানুষের হয়ে লড়াই শুরু করেন শিবু সোরেন। প্রথম থেকেই শিবু সোরেনেরে রাজনৈতিক জীবন ছিল চোখে পড়ার মত।
১৯৬২ সালের ১ জানুয়ারি রুপি সোরেনকে নিয়ে করেন শিবু সোরেন। রুপি এবং শিবুর ৪ সন্তান। তিন ছেলে এবং এক মেয়ে। বর্তমানে শিবু সোরেনের ছেলে হেমন্ত সোরেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এবং জেএমএম নেতা হিসেবে পরিচিত।
শিবু সোরেনের মৃত্যুর খবর সোমবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশ করেন হেমন্ত সোরেন। তিনি লেখেন, 'ঢিসুম গুরু (শিবু সোরেন এই নামেই পরিচিত) আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। আমি একা হয়ে গেলাম সম্পূর্ণ রূপে।'
শিবু সোরেনের রাজনৈতিক জীবন
একটানা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন শিবু সোরেন। ২০০৫ থেকে ২০০৮,। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন শিবু সোরেন।
রাজনৈতিক জীবন বর্ণময় ছিল শিবু সোরেনের। ১৯৮০ সালে লোকসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন শিবু সোরেন। রাজসভার পদও ছিল তাঁর। ১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০২০ সালে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন শিবু সোরেন।
এসবের পাশাপাশি ২০২৪ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রকের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন ঝাড়খণ্ড জনমুক্তি মোর্চার এই প্রধান নেতা।
প্রধানমন্ত্রীর শোকপ্রকাশ
শিবু সোরেনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। একেবারে নীচুতলার কর্মীদের সঙ্গেও কীভাবে কাজ করতে হয়, সম্মন্বয় সাধন করতে হয়, তা শিবু সোরেন শিখিয়েছেন বলে শোক বার্তায় প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নতি কীভাবে করা যায়, সারা জীবন ধরে শিবু সোরেন সেই চেষ্টা করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে তিনি শোকাহত বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
(The above story first appeared on LatestLY on Jan 01, 1970 05:30 AM IST. For more news and updates on politics, world, sports, entertainment and lifestyle, log on to our website latestly.com).

