দিল্লি, ১৩ অগাস্ট: পাকিস্তানি (Pakistan) অনুপ্রবেশ ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন জওয়ান। জম্মু কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) বারামুলায় পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে চাইলে, তা রুখে দেওয়ার চেষ্টা চালায় ভারতীয় চেষ্টা। যার জেরে পাকিস্তান সীমান্ত থেকে গুলি চালাতে শুরু করে শেহবাজ় শরিফের বাহিনী। পাকিস্তানি বর্ডার অ্যাকশন টিম অর্থাৎ ব্যাটের তরফে অবিরত গুলি বর্ষণ করা হয়। যার জেরে ভারতের এক সেনা জওয়ান শহিদ হয়ে যান বলে খবর মেলে।
ভারতীয় সেনার (Indian Army) তরফে জানানো হয়, বারামুলার ওই এলাকায় বেশ কিছুদিন যাদবৎ ২ জঙ্গি গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। ওই জঙ্গিদের খুঁজতেই স্বাধানীতা দিবসের আগে জোর তল্লাশি শুরু হয় বারামুলার পাহাড়, জঙ্গল ঘেঁষা এলাকায়। সেই সঙ্গে আরও এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী ভারতে প্রবেশের চেষ্টা চালালে, বাধা দেন জওয়ানরা। আর সেই মুহূর্তেই পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিমের (Pakistani BAT) তরফে আলটপকা গুলি চালিয়ে ভারতের সেনা জওয়ানকে হত্যা করা হয় বলে খবর।
ঊরির টিক্কা পোস্ট লক্ষ্য করেও গুলি চালাতে শুরু করে পাকিস্তানের ব্যাট। জঙ্গিদের সঙ্গে কাধে কাধ মিলিয়ে কীভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করা যায়, সেই চেষ্টা যে পাকিস্তান অবিরত চালায়, তা ফের প্রকাশ্যে এল।
অপারেশন সিঁদূরের (Operation Sindoor) পর এই প্রথম সীমান্ত লক্ষ্য করে গুলি চালানো শুরু করে পাকিস্তানি সেনা। অপারেশন সিঁদূরের পর থেকে পাকিস্তান কিছুদিনের জন্য সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ করে। তবে পাক সেনা প্রধান অসীম মুনিরের আমেরিকা সফর এবং সেখান থেকে ভারতের বিরুদ্ধে ঘৃৃণার ভাষণের পর ফের সে দেশের সেনা বাহিনীর তরফে ভারতের সীমান্ত লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। যা একেবারেই অবাঞ্ছিত।
অসীম মুনিরের বক্তব্য এবং পহেলগাম হামলা
গত ২২ এপ্রিল পহেলগামে (Pahalgam Attack) হামলা চালায় পাক মদতপুরষ্ট জঙ্গিরা। যে হামলায় ২৬ জন নীরিহ পর্যটকের প্রাণ যায়। সেবারও অসীম মুনিরের ঘৃণার ভাষণের পর হামলা চালায় লস্কর-ই-তইবার প্রক্সি সংগঠন টিআরএফ। আর এবারও ভারত সম্পর্কে মুনিরের বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তান নতুন করে সীমান্ত সন্ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা চালায়।
তবে পাকিস্তান যতই চেষ্টা চালাক না কেন, সীমান্তে সেনা বাহিনীর টহলদারি অব্যাহত। কোনওভাবে যাতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ভারতে প্রবেশ করতে না পারে, তার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।