শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ৮৮টি আসনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মোট ভোটদানের হার ৬০.৯৬ শতাংশ। ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের মুখ্যপাত্র টুইট করে জানিয়েছেন যে, দ্বিতীয় দফায় ১৩টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। সব মিলিয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আনুমানিক ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৬০.৯৬ শতাংশ। প্রথম দু'দফায় ১৪টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে কেরালার ২০টি আসন, কর্ণাটকের ১৪টি, রাজস্থানের ১৩টি আসন, মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশের ৮টি করে আসন, মধ্যপ্রদেশের ৭টি এবং অসম ও বিহারের পাঁচটি করে আসনে ভোট হয়েছে। এছাড়া ছত্তিশগড় ও পশ্চিমবঙ্গের তিনটি করে আসন এবং মণিপুর, ত্রিপুরা ও জম্মু ও কাশ্মীরের একটি করে আসন এই দফায় ভোট হয়েছে। Loksabha Election 2024: ‘চোখের জল ফেলতে হবে’, মোদীকে কটাক্ষ রাহুল গান্ধীর
লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) যাঁরা ভোট দিয়েছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, 'দ্বিতীয় ধাপ খুব ভাল হয়েছে। সারা ভারতের মানুষ যাঁরা আজ ভোট দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। এনডিএ-র প্রতি অতুলনীয় সমর্থন বিরোধীদের আরও হতাশ করতে চলেছে। ভোটাররা এনডিএ-র সুশাসন চায়। তরুণ ও মহিলা ভোটাররা এনডিএ-র জোরালো সমর্থন জোগাচ্ছে।' এই দফায় উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর, বিজেপির তেজস্বী সূর্য, বিনোদনের তারকা হেমা মালিনী এবং অরুণ গোভিল, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং শশী থারুর, পাশাপাশি কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের ভাই ডি কে সুরেশ এবং কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী।
নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীন বিতর্কের খবরও আসে, টুইটারে পোস্ট করা একটি ভিডিওর মাধ্যমে ধর্মের ভিত্তিতে ভোট চাওয়ার অভিযোগে বিজেপি সাংসদ তথা বেঙ্গালুরু দক্ষিণের প্রার্থী তেজস্বী সূর্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে নির্বাচন কমিশন। দার্জিলিংয়ের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে চোপড়ায় হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, দার্জিলিং আসনে বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্বকারী প্রার্থী রাজু বিস্তা এবং ডঃ মুনীশ তামাং পেশাগত কারণে দিল্লিতে দীর্ঘদিন বসবাস করার কারণে তারা নিজেরাই ভোট দিতে পারেননি।
দ্বিতীয় দফার রাজ্যভিত্তিক ভোটদানের হারঃ
অসম - ৭০.৬৮%
বিহার - ৫৪.৯১%
ছত্তিশগড়- ৭৩.১৯%
জম্মু ও কাশ্মীর - ৭১.৬৩%
কর্ণাটক - ৬৭.৪৫%
কেরালা - ৬৫.৩৪%
মধ্যপ্রদেশ - ৫৬.৭৬%
মহারাষ্ট্র - ৫৪.৩৪%
মণিপুর - ৭৭.১৮%
রাজস্থান - ৬৩.৯৩%
ত্রিপুরা - ৭৮.৬৩%
উত্তরপ্রদেশ – ৫৪.৮৩%
পশ্চিমবঙ্গ - ৭১.৮৪%