Hyderabad: মা-কে খুন করে তিন দিন ধরে দেহ লুকিয়ে রাখল মেয়ে
খুন। Image used for representational purpose

হায়দ্রাবাদ, ২৯ নভেম্বর: Hyderabad: Girl kills motherঅনেক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল ও। মেয়ের অনেক ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা জানতে পেরে তাকে বাধা দেয় তার মা। আর তার পরিণতি হল মারাত্মক। মা-কে খুন করে দেহ লুকিয়ে রাখল মেয়ে। মেয়ের নাম কীর্তি রেড্ডি (Kiri Reddy)- র। কীর্তির কুকীর্তি শুনলে চমকে যেতে হয়। মা রাজিথা-কে খুনের পর বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে দেহ লুকিয়ে রাখার পর নিজের বাবাকে জেল খাটানোর সব চেষ্টা করেছিল কীর্তি। তবে শেষ অবধি নিজের দু একটা কথায় অসঙ্গতির কারণে হায়দ্রাবাদ পুলিশ তাকে ধরে ফেলল।

রাজিথা মারা যাওয়ার পর তিনদিন তাঁর দেহ বাড়িতেই লুকিয়ে রেখেছিল কীর্তি। কিন্তু দেহ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করার পর বয়ফ্রেন্ডের সাহায্য নিয়ে বয়ফ্রেন্ডের দেহ রেললাইনে ফেলে দিয়ে আসে কীর্তি, যাতে মনে হয় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গিয়েছেন রাজিথা। পুলিশের চাপে কীর্তি তাঁর দোষ স্বীকার করে। স্বীকারোক্তির পরে খুনের অভিযোগে দু'জনকেই গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক দিন ধরেই খোঁজ মিলছিল না হায়দ্রাবাদের ৩৮ বছরের গৃহবধূ রাজিথার। রাজিথার স্বামী গাড়ি চালায়। ক দিন পর গাড়ি চালিয়ে ঘরে ফিরে দেখে তাঁর স্ত্রীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন তিনি ফোন করেন তাঁর মেয়েকে। আরও পড়ুন-শহরে তুবড়ি ফেটে মৃত্যুর পর, ক্যানিংয়ে বাজি ফাটাতে গিয়ে বিস্ফোরণে কব্জি উড়ে গেল যুবকের

বাড়ি ফিরে মেয়ে কীর্তি পুলিশের কাছে যায়। পুলিশের কাছে কীর্তি তার বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। পুলিশকে সে জানায় তার মাকে মদ খেয়ে বাবা মারধর করতেন। সেই দুঃখে তার মা আত্মহত্য়া করে থাকতে পারে পুলিশকে কীর্তি জানায়। পুলিশকে বিভ্রান্ত করতেই সে এমন কথা বলে। সেই রাতেই রেল লাইনের ধার থেকে রাজিথার তিন দিনের পচনধরা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কীর্তির কথা শুনে প্রথমে বিভ্রান্ত হলেও পরে পুলিস সত্য়ি জানতে পারে।