West Bengal: শহরে তুবড়ি ফেটে মৃত্যুর পর, ক্যানিংয়ে বাজি ফাটাতে গিয়ে বিস্ফোরণে কব্জি উড়ে গেল যুবকের
বাজি ফাটাতে গিয়ে দুর্ঘটনা। (Image used for representational purpose only) (Photo Credits: PTI)

কলকাতা, ২৯ অক্টোবর:  Kali Puja Accident: কালীপুজোয় বাজি ফাটাতে গিয়ে বড় দুর্ঘটনা। কলকাতায় তুবুড়ি ফেটে মৃত্যুর পর, ক্যানিংয়ে বাজি ফাটাতে গিয়ে এক যুবকের হাতের একাংশ উড়ে গেল। ক্যানিংয়ের হাট পুকুরিয়া গ্রামের যুবক শহিদুল সর্দার বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ফাটাচ্ছিলেন। তখনই একটি বাজি ফাটতে গিয়ে বিকট শব্দ করে হাতেই ফেটে যায় সেটি। হাতের দিকে তাকিয়েই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বছর ২৬-এর ক্য়ানিংয়ের যুবক শহিদুল। বাজি ফাটাতে গিয়ে বিস্ফোরণের পর আতর্নাদ- চিৎকার করতে থাকেন শহিদুল।

শহিদুলের চিত্কারে বন্ধুরা দেখেন বাজির বিস্ফোরণে কব্জি উড়ে গিয়েছে শাহিদুলের। এরপর সঙ্গে সঙ্গে শহিদুলকে ক্য়ানিংয়ের মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার হয়। সেখানে তার পরিস্থিতি দেখে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ (NRS)-এ কলেজে ভর্তি করা হয়। আরও পড়ুন-এই মন্ত্র পড়েই ভ্রাতৃদ্বিতীয়ায় দাদা-ভাইয়ের মঙ্গল কামনায় ফোঁটা দেয় বোন

এবার কালীপুজোয় বাজি ফাটাতে গিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েকটি দুর্ঘটনার খবর এসেছে। তার মধ্যে শহর কলকাতায় দুটি পৃথক দুর্ঘটনার কথায় আতঙ্ক ছড়ায়। রবিবার, কালীপুজোর সন্ধ্যায় হরিদেবপুরের (Haridevpur) বিদ্যাসাগর কলোনিতে তুবড়ি ফেটে মৃত্যু হয় বছর পাঁচেকের এক শিশুর । নিহত শিশুর নাম আদি দাস। অন্যদিকে, হরিদেবপুরের পর কসবায় (Kasba) তুবড়ি ফেটে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। মৃতের নাম দীপ কুমার কোলে (৪০ বছর)।

তুবড়িটি খোলের অংশ তীব্র গতিতে এসে ঢুকে যায় আদির গলায়। প্রচুর রক্তপাত হতে থাকে তার গলা থেকে। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যাসাগর হাসপাতালে। সেখানেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে, ঠিক একইভাবে তুবড়ির ভাঙা খোল স্প্লিন্টারের মতো তাঁর গলার পাশে লেগে সেখানেই মৃত্যু হয়। কালীপুজোয় নিষিদ্ধ বাজি ফাটানো-সহ একাধিক অভিযোগে রবিবার রাত পর্যন্ত শহরের ৯টি ডিভিশন থেকে ৪৫২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে বিজন সেতুর কাছে বাজি ফাটাচ্ছিলেন দীপ। রাত ৮টা নাগাদ তুবড়ি ফাটানোর সময় সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। তুবড়ির ভাঙা খোল স্প্লিন্টারের মতো তার গলার পাশে লাগে। ছিঁড়ে যায় ক্যারোটিড আর্টারি। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে শিশুমঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মারাত্মক রক্তপাতের কারণে তার মৃত্যু হয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, কসবা বাজারে একটি বইয়ের দোকান আছে মৃত দীপ কুমার কোলের। দীপাবলির রোশনাইয়ে দুটি প্রাণ হারানোর খবর ম্লান করেছে খুশির উৎসবকে।