প্রতীকী ছবি (Photo Credits: IANS)

নয়া দিল্লি, ১৭ জুনঃ ওড়িশার গোপালপুর সমুদ্র সৈকত ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের স্বীকার হন এক তরুণী। কলেজপড়ুয়া ওই তরুণী যে বন্ধুর সঙ্গে সমুদ্রসৈকত ভ্রমণে গিয়েছিলেন তাঁকেও মারধর করে অভিযুক্তরা। গণধর্ষণের অভিযোগে হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে ওড়িশায়। ইতিমধ্যেই আট জন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। গোপালপুর সমুদ্র সৈকতে বছর কুড়ির কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে তদন্ত ভার গ্রহণ করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন (National Commission for Women)।

মঙ্গলবার কমিশনের তরফে বিবৃতি জারি করে এমনটাই জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ, জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন বিজয়া রাহাতকর এই ঘটনার পর নিজে চিঠি লিখেছেন ওড়িশার ডিজিপি-কে। যত দ্রুত সম্ভব সকল অভিযুক্তদের গ্রেফতারি এবং ঘটনার যথাযথ তদন্ত যাতে হয় সেই নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি নির্যাতিতা তরুণীর বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনে তাঁকে মনোবিদের সাহায্য নিতে বলা হয়েছে।

গোপালপুর গণধর্ষণ মামলায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ জাতীয় মহিলা কমিশনেরঃ

পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার এক পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে গোপালপুর সমুদ্র সৈকতে যান ওই তরুণী। সন্ধ্যাবেলায় একটি উৎসবে যোগ দেন তাঁরা। সৈকতের একটু নির্জন স্থানে বসে দুজনে গল্প করছিলেন। নির্যাতিতার দাবি, সেই সময় সেখানে মোটরবাইকে করে ১০ জন আসেন। তাঁদের উত্ত্যক্ত করেন। নানা কটূক্তি করতে থাকেন। শুধু তা-ই নয়, দুজনের ছবিও তাঁরা ক্যামেরাবন্দি করেন। বন্ধু প্রতিবাদ করতেই ঘটে বিপত্তি। সকলে মিলে তাঁদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। যুবকের হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। এরপর তরুণীকে সৈকতের কাছে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।