Odisha Girl Walks 10 Km: মিড-ডে-মিলের চাল ও টাকা নিয়ে নিচ্ছে বাবা, অভিযোগ জানাতে ১০ কিলোমিটার হাঁটল নাবালিকা
প্রতীকী ছবি (Photo Credit: Wikimedia Commons)

কেন্দ্রপাড়া, ১৭ নভেম্বর: নাবালিকা মেয়ের নাম করে স্কুল থেকে মিড-ডে-মিলের চাল ও টাকা (Mid-Day Meal Benefits) হাতাচ্ছিল বাবা। বিষয়টি জানতে পেরেই বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে ১০ কিলোমিটার হাঁটল ওই খুদে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন হয়ে গেছে ওই নাবালিকা বাবার সঙ্গে থাকে না। কারণ তার মায়ের ম্যু হওয়ায় বাবা ফের বিয়ে করে আলাদা হয়ে গেছে। ছোট মেয়ের দেখবাল তিনি করেন না। অভিযোগ, মেয়ের দেখভাল না করলেও তার নামে সরকার তেকে মিড-ডে মিল বাবদ প্রতিদিন যে টাকা আর চাল আসে তার সবটাই আত্মস্যাৎ করছে ওই বাবা। এদিকে মেয়ে তার কিছুই পাচ্ছে না। ঘটনাটি ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া জেলার।

এদিকে নাবালিকার অভিযোগ পেয়েই কেন্দ্রপাড়ার জেলাশাসক সম্রাট ভার্মা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সরকারি কর্মীদের জানিয়েছেন যেন এবার থেকে মিড-ডে-মিল বাবদ প্রাপ্য টাকা ওই পড়ুয়ার নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়। এতদিন নিজের নাম করে যে টাকা নাবালিকার বাবা তুলে নিয়েছে। তাও যেন শিশুকন্যার বাবার থেকে উদ্ধার কার হয়। বেআইনিভাবে যে চাল নিজের দাবি করে শিশুটির বাবা নিয়ে গিয়েছে তা উদ্ধার করতে হবে। এবং প্রাপ্য টাকা ও চাল নাবালিকাকে পাইয়ে দিতে হবে। কেন্দ্রপাড়া জেলা শিক্ষা অধিকর্তা সঞ্জীব সিং বলেছেন, “জেলা শাসকের নির্দেশ মতো এবার থেকে মিড-ডে-মিলের টাকা ওই নাবালিকার অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। বেআইনিভাবে যে টাকা তার বাবা সংগ্রহ করেছে, তা-ও উদ্ধার করা হবে। এমনকী, প্রধান শিক্ষক যাতে নাবালিকাকে তার প্রাপ্য চাল পাওয়ার ব্যবস্থা করেন, তার বন্দোবস্তও করেছি।” আরও পড়ুন-1 Year Since Coronavirus Outbreak: ১ বছর আগে আজকের দিনেই চিনের উহানে প্রথম কোভিড রোগীর সন্ধান মিলেছিল

বাবার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিয়েই ওই নাবালিকা এদিন কেন্দ্রপাড়ার জেলাসাসকের অফিসে পৌঁছায়। তার অভিযোগ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নিজের রয়েছে, তবুও সরকারের প্রদত্ত টাকা যাচ্ছে বাবার অ্যাকাউন্টে। এমনকী স্কুল থেকে মেয়ের নাম করে মিড-ডে-মিলের চাল তুলে নিয়েছে তার বাবা। লকডাউনের শুরু থেকেই সরকারি নির্দেশে পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল বাবদ দৈনিক আট টাকা প্রাপ্য হচ্ছে। সেই টাকা পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টেই জমা পড়ছে। যদি অ্যাকাউন্ট না থাকে তাহলে টাকা যাবে বাবা-মায়ের অ্যাকাউন্টে। অন্যদিকে দৈনিক ১৫০ গ্রাম চাল পাচ্ছে পড়ুয়ারা।