Essential Commodities (Amendment) Bill 2020 Passed in Rajya Sabha: চালু-ডাল-আলু-পেঁয়াজ বাদ পড়ল অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে, এই বিল সম্পর্কে জেনে নিন বিস্তারিত
India_Farming (Photo Credits: Wikimedia Commons)

নয়াদিল্লি, ২২ সেপ্টেম্বর: সাড়ে ছ'দশকের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনে সংশোধনী বিল (Essential Commodities (Amendment) Bill 2020) পাশ করাল কেন্দ্র। ২২ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ধ্বনি ভোটে পাশ হল এই বিলটি। চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, তেলবীজ এবং ভোজ্য তেলকে (cereals, pulses, oilseeds, edible oils, onion and potatoes) অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সাক্ষরের পর এই বিল আইনে পরিণত হলে, এই সমস্ত কৃষিপণ্যের উপরে আর কোনও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর লোকসভায় পাশ হয়ে যাওয়ার পর এদিন রাজ্য়সভাতেও পাশ হয়ে গেল এই বিলটি। পড়ুন: Tea Diplomacy: বিক্ষোভরত সাংসদদের চায়ের অফার করে প্রধানমন্ত্রীর সুনজরে হরিবংশ সিং, চায়ের বদলে চাষিদের খাবার ফেরত চাইলেন সঞ্জয় সিং

১৯৫৫ সালে চালু হয় এই অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন। এই আইন সংশোধনের সূত্রপাত হয় গত ৫ জুন। সরকারের তরফে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। সেই সংশোধনী রাজ্যসভায় পাশের পর পাশের পর এবার আইনে পরিণত হতে প্রয়োজন শুধু রাষ্ট্রপতির সাক্ষরের। বিলটি সম্পর্কে জেনে নিন বিস্তারিত-

১. এই সমস্ত অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মজুত, বিক্রি এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার।

২. কৃষিক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং এতে লাভবান হবেন কৃষকেরা।

৩. এই বিলের মাধ্যমে ক্রেতাসুরক্ষা নিয়মিত ত্বরান্বিত হবে।

৪. দেশের অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অর্থাৎ মূল্যবৃদ্ধি, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় কেন্দ্রের হাতে থাকবে চাবিকাঠি

৫. নতুন আইন তৈরি হলে দেশি-বিদেশি বড় সংস্থার বিনিয়োগ আসবে কৃষি ক্ষেত্রে।

৬. মজুতের উর্দ্ধসীমাও তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন ভারতে প্রচুর পরিমাণে শস্য উৎপাদনের জেরে এখন দেশ রফতানিও শুরু করেছে। ফলে কোনও মরসুমে অতিরিক্ত শস্য উৎপাদন হলে চাষিরা যাতে ক্ষতির সম্মুখীন না হন, সেটিও নজর রাখা হয়েছে বিলে।

৭. পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও মজুতের উপর কোনও লাগাম না থাকার ফলে কৃষকদের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাও ওইসব পণ্যের ব্যবসার ক্ষেত্রে সুবিধে পাবে

এই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় কনজিউমার অ্যাফেয়ার্স দফতরের মন্ত্রী ডি আর দাদারাও বলেন, দেশের আইন মজুত করার ক্ষেত্রে সীমা নির্দিষ্ট থাকায় কৃষিক্ষেত্রে বিনিয়োগে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। নতুন এই আইনে চাষি ও ক্রেতা দু'পক্ষই লাভবান হবে। ক্রেতা এবং চাষী- দু'পক্ষের লাভের কথা ভেবেই এই সংশোধন আনা হয়েছে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রী মন্ত্রী।