Delhi violence: জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ায় পুলিশি লাঠিচার্জে উত্তপ্ত রাজধানী, সংশ্লিষ্ট এলাকার সমস্ত স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিল দিল্লি সরকার
বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে বহিরাগতদের গ্রেফতার করল পুলিশ (Photo Credits: @fotosbyshadab)

নতুন দিল্লি, ১৬ডিসেম্বর:  সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে উত্তাল দিল্লি, জামিয়া মিলিয়াইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে গতকালই ছাত্রদের উপরে অবাধে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় বিক্ষোভের আঁচে তপ্ত রাজধানীর দক্ষিণ পূর্বাংশ। পরিস্থিতি বিবেচনা করা উপদ্রুত এলাকার সমস্ত স্কুল সোমবার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Delhi’s deputy chief minister Manish Sisodia)। রবিবারই এক টুইটবার্তায় উপমু্খ্যমন্ত্রী জানান, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে দক্ষিণ পূর্ব দিল্লির জামিয়া, ওখলা ও নতুন ফ্রেন্ডস কলোনি এলাকা। তাই এই চত্বরের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত অশান্তি এড়াতেই এই নির্দেশিকা জারি হয়েছে।

এদিকে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জোগাবাড়ি স্কুলের এক শিক্ষক। তিনি বলেছেন, এই বিক্ষোভের মাঝে পড়ুয়াদের স্কুলে যাওয়াটাই বিপদের। তাই স্কুল বন্ধ রাখার যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে তা একেবারে সঠিক।  দিল্লিতে ব্যাপক বিক্ষোভ জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jamia Millia Islamia University)। পড়ুয়া থেকে শিক্ষকেরা সামিল হয়েছেন বিক্ষোভে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নাকানিচোবানি খেতে হয় পুলিশকে। লাঠিচার্জ থেকে কাঁদানে গ্যাস— বাদ পড়েনি কিছুই। গতকালই জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা জানিয়েছিলেন, নয়া নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস (Campus) থেকে সংসদ ভবন পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করবেন। ওই বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন প্রায় দু’হাজার পড়ুয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরেই ব্যারিকেড করে মিছিল আটকায় পুলিশ। সেখান থেকেই গোলমালের সূত্রপাত্র। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড টপকে এগোতে শুরু করলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পরে বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। আহত হন প্রায় ৬৩ জন। এবার আজ রবিবার ঘটনায় যোগ হল নতুন মোড়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছু বহিরাগতকে এদিন গ্রেফতার করে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। আরও পড়ুন-Police Enters To Jamia Campus: বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে বহিরাগতদের গ্রেফতার করল পুলিশ

সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি সেমিস্টারের বাতিল হওয়া পরীক্ষা (Examination) কবে হবে সেই নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনিয়র আধিকারিক জানিয়েছেন, 'আজ অর্থাৎ শনিবার যে সমস্ত পরীক্ষা ছিল, সেই সমস্ত পরীক্ষাই পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।'