Nirbhaya Case: সামনেই ফাঁসির সাজা, তাই নির্ভয়ার খুনি মুকেশের আর্জিকে টপ প্রায়োরিটি প্রধান বিচারপতির
সুপ্রিম কোর্ট (Photo Credits: IANS)

নতুন দিল্লি, ২৭ জানুয়ারি: নির্ভয়ার চার ধর্ষক খুনির প্রাণভিক্ষার আর্জি আগেই খারিজ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তারপরও সেই আর্জি নাকচের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ধর্ষক খুনি মুকেশের (Mukesh Singh) আইনজীবী। এদিন সুপ্রিম রায়ে সেই আইনজীবীকেই কটাক্ষ করলেন প্রধার বিচারপতি এস এ বোবদে (CJI Arvind Bobde) । তিনি বলেন, কাউকে যদি ১ ফেব্রুয়ারি ফাঁসিতে ঝোলানো হবে বলে স্থির হয়, তবে তার আর্জি তো টপ প্রায়োরিটি হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন, অল্পদিনের মধ্যে যার ফাঁসি হবে বলে স্থির হয়ে আছে, তার আর্জি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যথাসম্ভব দ্রুত। প্রধান বিচারপতি যে দ্রুত ফাঁসির সাজা কার্যকর করতে চান তা এদিন ফের মনে করিয়ে দিয়েছেন।

তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষ নাকি মার্সি পিটিশন জানানোর মতো উপযুক্ত নথিপত্র এই ধর্ষক খুনিদের আইনজীবীদের দেয়নি। এনিয়ে দিল্লি কোর্টে এই আইনজীবীরা অভিযোগও জানিয়েছেন। অন্যদিকে সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেন, খুনিরা ফাঁসির দিনটি পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। কোর্ট শনিবার খুনিদের পক্ষের আইনজীবীদের আর্জি নাকচ করে দিয়েছে। তবে এখনও টালবাহানা করতে দ্বিধা করছেন না ওই আইনজীবীরা। গত শনিবার মুকেশ সর্বোচ্চ আদালতে আর্জি জানায়। তাতে বলা হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি যেন তার ফাঁসি না দেওয়া হয়। মুকেশ বাদে নির্ভয়ার ওপর তিন খুনির নাম বিনয় শর্মা, অক্ষয় সিং এবং পবন গুপ্ত। ভোর ছ’টায় চারজনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে বলে স্থির হয়েছে। তার আগে তারা যে পিটিশন করেছে, তা মৃত্যুদণ্ড ঠেকানোর মরিয়া প্রচেষ্টা বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। আরও পড়ুন-Jalpaiguri: ফের সেলফি কাড়ল প্রাণ, ওদলাবাড়িতে পিকনিক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত ছাত্রী

এদিকে আগামী ১ ফেব্রুয়ারী হতে চলেছে নির্ভয়া ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডের ৪ দোষীদের ফাঁসি। সকাল ৬টায় ফাঁসি হবে তাদের। দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ় কোর্ট (Patiala House Court) নতুন করে মৃত্যু পরোয়ানা জারি (Death Warrant) করে। এক আসামি মুকেশ সিং-র প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ করে দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। দোষীদের মধ্যে আরেকজন পবন গুপ্তা (Pawan Gupta) সুপ্রিম কোর্টে জমা দিয়েছে পিটিশন।২০১২ সালে ২৩ বছর বয়সী প্যারামেডিক্যাল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে শুক্রবার মৃত্যুর পরোয়ানা জারির পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টের বিরুদ্ধে পিটিশন জমা হয়।