Vaccine Scam In Bihar: বিহারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রের টিকা প্রাপকের তালিকায় প্রিয়ঙ্কা চোপড়া, মোদি, শাহ, সনিয়া! ব্যাপারটা কী?
Vaccination In India (Photo Credits: Twitter)

পাটনা, ৭ ডিসেম্বর: ১০০ কোটি জনতা পেয়ে গেছে টিকা। তরতরিয়ে এগোচ্ছে মোদি সরকারের টিকাকরণ কর্মসূচি। দেখ কমছে করোনার ভয়াবহতা। তবে নয়া প্রজাতি ওমিক্রনের থাবাও ক্রমশ দৃঢ় হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে টিকাকরণ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছতার সঙ্গে অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্র। তবে সর্ষের মধ্যে ভুত থাকলে তা যে সম্ভব নয়, বিহারের ঘটনা সেটাই প্রমাণ করল। বিহারের এক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের টিকা প্রাপকের তালিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী এমনকী বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা চোপড়াও।  টিকা প্রাপকদের নামের তালিকা সরকারি পোর্টালে উঠে যায়। সেই তালিকা পর্যালোচনা করতে গিয়ে সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। আরও পড়ুন- Coronavirus Cases In India:শিয়রে ওমিক্রন, দেশে ৫৫৮দিন পর সর্বনিম্ন দৈনিক সংক্রমণ

বিড়ম্বনা এড়াতে দুই কম্পিউটার অপারেটরকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের আরওাল জেলার কার্পি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। জেলার প্রতিটি বাসিন্দা যাতে কোভিডের টিকা পান, তার বন্দোবস্ত করতে হয় স্বাস্থ্য়কেন্দ্রের লোকজনকে। সেখানে যাঁরা তথ্যের বিষয়টি দেখভাল করেন, তাঁদের দায়িত্বে থাকে কে কে কোভিড টিকা নিলেন সেই সব নাম সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত করা। এই নথিভুক্তিকরণেও টার্গেট থেকে যায়। প্রতিদিন যে প্রচুর লোক এসে টিকা নিয়ে যাবে, এমনটা ঘটে না। এদিকে গোটা দিন ধরে বসে সময় নষ্ট করাতেও আপত্তি। তাই তালিকা ভরাতে দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিজেপি নেতা, বিরোধী নেত্রী থেকে শুরু করে আমেরিকা প্রবাসী অভিনেত্রীর নামও আরওয়ালের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের টিকা প্রাপকদের তালিকায় স্থান পায়।

এদিকে এমন খবর তো চাপা থাকে না। টিকা কেলেঙ্কারি নিয়ে বিরোধীরা আগেও সরব হয়েছিল। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর শাসকদলকে লক্ষ্য করে কটাক্ষ, শব্দবাণ কিছুই বাদ পড়ছে না। এক আরজেডি নেতা টুইটেই খোঁচা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, " বিহারের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দূরবস্থা ফের প্রকাশ্যে এসেছে।  পরিসংখ্যান  তালিকা প্রমাণ করতে  স্বাস্থ্যকেন্দ্রের লোকজন ভুয়ো নামের তালিকা ঢুকিয়ে দিয়েছে। আমেরিকা প্রবাসীর টিকাকরণ হয়েছে আরওয়ালের স্বাস্থকেন্দ্রে। এসবের পর বিহারে গাঁজা নিষিদ্ধ হওয়া উচিত।"