AU Professor Is In Quarantine: তবলিকি জমাতে যাওয়ার খবর লুকিয়েছিলেন, এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের পুলিশের
এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় (Photo Credits: IANS)

প্রয়াগরাজ, ১০ এপ্রিল: দিল্লির নিজামু্দ্দিন মার্কাজে অনুষ্ঠিত তবলিকি জমাতে ছিলেন এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (Allahabad University professor)। তবে সেখান থেকে ফেরার খবর পুলিশকে জানাননি তিনি। তবলিকি জমাতে উপস্থিতির খবর গোপন করার জন্য স্থানীয় শিবকুঠি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। খবর জানাজানি হতেই গত বৃহস্পতিবার থেকে কারেলি-র এক গেস্টহাউসে পরিবার-সহ কোয়ারেন্টাইনে গেলেন ওই অধ্যাপক। সংক্রমণ ছড়ানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৭০ ধারা, করোনার মত মারণ বাইরাস সংক্রমণের বিষয়ে অবহেলার জন্য ২৬৯ ধারা এবং কোয়ারেন্টাইন আইন ভাঙার জন্য ২৭১ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে তবলিকি জমাতে কাটানোর জন্য এখন দত্তক পুত্র-সহ সস্ত্রীক কোয়ারেন্টাইনে অভিযুক্ত অধ্যাপক।

পুলিশ জানিয়েছে, শহরের রসুলাবাদ এলাকায় ওই অধ্যাপকের বাড়ি। কয়েক মাস আগে তিনি ইথিওপিয়াতে গিয়েছিলেন। তিনি দিল্লিতে ফিরে ৬ মার্চ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত নিজামুদ্দিনের তবলিকি জমাতে অংশ নেন। ১১ তারিখ এলাহাবাদে ফেরার পর ১২-১৬ মার্চ পরীক্ষাকেন্দ্রে ইনভিজিলেটরের দায়িত্ব সামলেছেন। যে কেন্দ্রে ১৫০ পড়ুয়া পাঁচদিন ধরে পরীক্ষা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে খবর পেয়েই অধ্যাপকের বাড়িতে দল নিয়ে হাজির হন পুলিশ সুপার ব্রিজেশ কুমার। তাঁর ভ্রমণের ইতিহাস জানার পর গোটা পরিবারকেই কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। চিকিৎসকদের একটি দল গিয়ে তিনজনের নাক ও গলার থেকে নমুনা নিয়ে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আরও পড়ুন- Coronavirus Cases In India: গত ১২ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ৫৪৭, দেশে মারণ ভাইরাসের কবলে ৬৪১২ জন, মৃত ১৯৯

প্রয়াগরাজের এসএসপি সত্যার্থ অনিরুদ্ধ পঙ্কজ বলেন, “পড়ুয়া-সহ যাঁরা ওই অধ্যাপকের সংস্পর্শে এসেছিলেন তাঁদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। অধ্যাপকের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। দিল্লি থেকে ফেরার পর এই পরিজনরাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। অধ্যাপকের দাদা এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্বে আছেন। তিনি পাশের বাড়িতেই থাকেন।” ওই অধ্যাপক তবলিকি জমাতের এক পদে আছেন। তিনি শুধু নিজামুদ্দিনেই গিয়েছিলেন এমন নয়। ওই সংগঠনের হয়ে বিভিন্ন দেশেও ঘুরে এসেছেন।